একাধিক দাতব্য সংস্থায় আরও ২৭০ কোটি ডলার দান করেছেন মার্কিন শতকোটিপতি মেকেনজি স্কট। বর্ণবাদ বৈষম্য, শিল্প এবং শিক্ষা নিয়ে কর্মরত ২৮৬টি সংস্থায় এ অনুদান দিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে স্কট লিখেছেন, ‘ঐতিহাসিকভাবে পর্যাপ্ত তহবিল পায়নি এবং এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে এমন’ খাতে অনুদান দিতে চাইছেন। 

অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সাবেক স্ত্রী মেকেনজি স্কট। ২০১৯ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে আলাদা হয়ে যান দু’জন। স্কটের সম্পদের অধিকাংশই ওই বিচ্ছেদের বরাতে পাওয়া। চুক্তি অনুসারে, অ্যামাজনের ৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে স্কটের হাতে। ১৯৯৪ সালে বেজোসকে আজকের প্রযুক্তি জায়ান্ট খ্যাত প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করেছিলেন তিনি।

দাতব্য সংস্থায় স্কটের অনুদান দেওয়ার ঘটনা এবার প্রথম নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময় মোটা অঙ্কের অর্থ দান করেছেন তিনি। মাত্র ৪ মাসে নারী-নেতৃত্বাধীন দাতব্য সংস্থা, কৃষ্ণাঙ্গ কলেজ এবং ফুড ব্যাংকে ৪০০ কোটি ডলার অনুদান দেওয়ার রেকর্ডও রয়েছে তার।

অনুদানে মোটা অঙ্ক খরচ করার পরও বিশ্বের ২২তম ধনী ব্যক্তি মেকেনজি স্কট। ফোর্বসের হিসেব অনুসারে, বর্তমানে স্কটের সম্পদের মূল্য ৫ হাজার ৯৫০ কোটি ডলার।

মঙ্গলবার এক ব্লগ পোস্টে স্কট জানান, তিনি তার সম্পদ পুনর্বণ্টন করতে ইচ্ছুক। কোথায় অনুদান দেওয়া যায় তা নির্ধারণে একদল গবেষক ও তার নতুন স্বামী বিজ্ঞান শিক্ষক ড্যান জুয়েটের সঙ্গে কাজ করছেন স্কট।

নিজ সম্পদের অধিকাংশ দান করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৯ সালে ‘গিভিং প্লেজ’ স্বাক্ষর করেন স্কট। বেজোস এখনও তাতে স্বাক্ষর করেননি। তবে, স্কটের নতুন স্বামী জুয়েট মার্চে ‘গিভিং প্লেজ’-এ যোগ দিয়েছেন।