ভারত থেকে কানাডা ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরও ৩০ দিন বাড়ানো হয়েছে।

গত ২২ এপ্রিল কানাডা সরকার ভারত ও পাকিস্তানের যাত্রীবাহী ফ্লাইটে এক মাসের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে সে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ না হতে নিষেধাজ্ঞা ফের এক মাস বাড়িয়ে দিল কানাডা।

তবে ভ্যাকসিন এবং প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম বহনকারী কার্গো বিমানগুলো কানাডায় প্রবেশের অনুমতি পাবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভারতীয়রা কানাডায় প্রবেশ করতে চাইলে তৃতীয় একটি দেশ ঘুরে আসতে হবে, যে দেশগুলোর উপর কানাডা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। যাত্রীদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ হতে হবে।

তবে ভারতের প্রতিবেশী পাকিস্তান থেকে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা থাকছে না।

কানাডার পরিবহনমন্ত্রী ওমর আলঘাব্রা বলেন, ‘ভারতে কোভিড -১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা এখনও অনেক বেশি থাকায় আমরা বিমান চলাচলের বিধিনিষেধ বাড়িয়ে দিয়েছি। ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং যথাযথ ব্যবস্থা নির্ধারণ করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

গত সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কানাডার সীমান্ত বিধিনিষেধ ২১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জনসুরক্ষা মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার একটি টুইটের মাধ্যমে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত ইতোমধ্যে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে।

কানাডা প্রবাসী কলামিস্ট, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান সমকালকে বলেন, ‘করোনার প্রকোপ শুরু হতেই  জাস্টিন ট্রুডোর সরকার আগাম সতর্কতা নিতে পিছপা হননি। দক্ষিণ এশিয়ায় দেশগুলোতে কোভিড-১৯ এর নতুন নতুন ভেরিয়েন্টের ব্যাপক সংক্রমনের পরিপ্রেক্ষিতে বিমান যোগাযোগ বন্ধের ঘোষণা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।’

তবে এ সতর্কতামূলক পদক্ষেপকে তিনি ভ্যাকসিন কার্যক্রমের বিকল্প বলতে নারাজ।

গত বছরের মার্চে কানাডায় প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ব্রিটিশ কলম্বিয়ায়। তারপর নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লাখ ৯ হাজার ৬০৭ জন, মারা গেছেন ২৬ হাজার ৮৪ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১৩ লাখ ৭২ হাজার ৪৯১ জন।




বিষয় : করোনাভাইরাস ভারত পাকিস্তান কানাডা

মন্তব্য করুন