প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসি হত্যাকাণ্ডের পর দেশটির নিরাপত্তার জন্য বিদেশি সেনাদের কাছে সহায়তা চায় হাইতি। এই অনুরোধটি করে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এই সময়ে হাইতিতে সেনা সহায়তা করার কোন পরিকল্পনা নেই। আর এ বিষয়ে আপাতত মন্তব্য করতে চায়নি জাতিসংঘও।

তবে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র জানায়, হাইতিতে তদন্তে সহায়তা করার জন্য এফবিআই এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের পাঠানো হবে। খবর বিবিসির।  

প্রেসিডেন্ট হত্যাকাণ্ডের জের ধরে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতে দেশটির বিমানবন্দর, স্থলবন্দরসহ নানা কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে এ সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

হাইতিয়ান পুলিশ এর আগে বলেছিল, বুধবার ২৮ জন বিদেশি ভাড়াটের দল প্রেসিডেন্টকে হত্যা করে। আর এ ঘটনার পর রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সে বন্দুকযুদ্ধের পর ১৭ জনকে আটক করা হয়। এ হামলায় তার স্ত্রী মার্টিন মইসি আহত হন। এখন তিনি শঙ্কামুক্ত। মইসি ২০১৭ সাল থেকে হাইতির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার পদত্যাগ দাবি করে একাধিকবার বিক্ষোভ হয়েছিল।

মইসি নিহত হওয়ায় সরকারের দায়িত্ব নিয়েছেন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী ক্লদে জোসেফ। ঘটনার পরপরই তিনি জনসাধারণের চলাচলের ওপর অবরোধ আরোপ করেন। তবে গতকাল রাস্তাঘাটে মানুষের কিছুটা উপস্থিতি দেখা গেছে। খুলেছে দোকানপাট, চালু হয়েছে গণপরিবহনও।