যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩০ জন শীর্ষস্থানীয় কৌঁসুলির অফিসিয়াল ই-মেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের সাইবার হামলা হয়। এ সময় ওই কৌঁসুলিদের অফিস ই-মেইল অ্যাকাউন্টে হামলা চালানো হয় বলে জানায় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। রোববার এ তথ্য জানানো হয়। 

ভুক্তভোগী কৌঁসুলিরা ‘সোলারউইন্ডস’ নামের একটি সফটওয়্যারের ব্যবহারকারী ছিলেন। এই সাইবার হামলার পেছনে রাশিয়ার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের। খবর বিবিসির। 

মার্কিন বিচার বিভাগ জানায়, ২৭ জন কৌঁসুলির অফিস কম্পিউটার হ্যাক করা হয়েছে। কম্পিউটারগুলোতে সংবেদনশীল নানা তথ্য ছিল। সাইবার হামলার ফলে অনেক তথ্য বেহাত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একে মার্কিন সরকারের ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ সাইবার গুপ্তচরবৃত্তিমূলক হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হ্যাকিংয়ের এ ঘটনাকে সম্ভাব্য সবচেয়ে গুরুতর বলে আখ্যায়িত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফেডারেল কৌঁসুলি গিল সফার। তিনি বলেন, কৌঁসুলিদের ই–মেইলে খুবই সংবেদনশীল ও গোপনীয় তথ্য থাকে। হ্যাকাররা যদি মেইল থেকে গোপন তথ্যদাতাদের খোঁজ পেয়ে যায়, তাহলে তারা তাদের উদ্দেশ্য হাসিলে তা ব্যবহার করতে পারে।

স্পর্শকাতর তথ্য কোনো প্রতিপক্ষ বিদেশি সরকারের হাতে গেলে, তারা তা জনমত বা নির্বাচন প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহার করতে পারে বলে আশঙ্কা করেন রেনাটো।

সোলারউইন্ডসসহ অন্যান্য সাইবার হামলার জবাবে গত এপ্রিলে রাশিয়ার ওপর নানান নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে হ্যাকিংয়ের এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া।