করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হলে আবারও  লকডাউন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিককের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হলে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে এমন প্রশ্নে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ হল একটা পদ্ধতি। আরেকটি পদ্ধতি হল ছেড়ে দেওয়া, কিন্তু সবাইকে মাস্ক পরতে হবে।”

লকডাউন তুলে নেওয়ার পর করোনা পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে, এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পরামর্শেরও পরও আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করে গণপরিবহন, হাট-বাজার, শপিংমল, বিনোদনকেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র সব খুলে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “পৃথিবীর যেকোনো দেশে বাড়লেই, যেমন অস্ট্রেলিয়াতে সেনাবাহিনী নামানো হয়েছে, কারফিউ দেওয়া হয়েছে, সেখানে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। আমেরিকাতে দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হচ্ছে কেন? কারণ এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে যাছিলাম। এক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিভিন্নভাবে তাদের অপরিহার্যতা...এটা খোলা প্রয়োজন, কারণ হচ্ছে ব্যবসা করে, কাজ করে, তাদের দিকে তাকিয়ে কিন্তু এ বিষয়গুলো শিথিল করা প্রয়োজন। যদিও পরিস্থিতি কিন্তু এখনও সন্তোষজনক নয়।’

ধাপে ধাপে বিধিনিষেধগুলো শিথিল করা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, “এর ধারাবাহিকতায় আজকে আরেকটি প্রজ্ঞাপন হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র যে পরিমাণ আসন, তার অর্ধেক বা ৫০ ভাগ চালু করতে বলা হয়েছে। আমরা বলছি, আগামী ১৯ আগস্ট থেকে যানবাহন শতভাগ চলবে। আমরা চাই প্রত্যেকে সতর্কতার সাথে তাদের পেশার কাজ করবেন।”

বাস্তবতার প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যবিধি কতটা কার্যকর হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, আমি অসতর্ক হলে আক্রান্ত হব। আর আক্রান্ত হলে আমার যদি শারীরিক কোনো সমস্যা থাকে, আমার মৃত্যুর ঝুঁকি আছে, স্বাস্থ্যঝুঁকিও মারাত্মক আছে। সকলের বিষয়টি উপলব্ধি করতে হবে।’