সিডনিতে লকডাউনের নিয়মকানুন মেনে চলা নিশ্চিত করতে আরো সেনা মোতায়েনের কথা চিন্তা করছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নিউ সাউথ ওয়েলসের গভর্নরের কার্যালয় থেকে একথা বলা হয়েছে।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট রাজ্যের আরো অনেক অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপ নেয়ার কথা চিন্তা করা হচ্ছে। এদিকে রাজধানী ক্যানবেরায় বৃহস্পতিবার থেকে এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে। গত এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো স্থানীয় সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর এই লকডাউন জারি করা হয়। খবর রয়টার্স, দ্য ট্রিবিউনের।

অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত সংক্রমণশীল ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির দুটি বৃহত্তম শহর সিডনি ও মেলবোর্নকে কঠোর লকডাউনের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান রাজধানী সিডনিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা হাল ছাড়ব না। আমরা আমাদের অতিরিক্ত ‘সম্পদ’কেও (সেনাবাহিনী) কাজে লাগাব।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার ডুটনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার বলেছে, তারা শ্রীঘ্রই  অতিরিক্ত সামরিক সহায়তার অনুরোধ জানাবে।

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে জনবহুল শহর সিডনির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহরতলিতে ৫৮০ জন সেনা কর্মী এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোতে  হোম কোয়ারেন্টাইন আদেশ কার্যকর করতে সাহায্য করছে। এরপরও ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছড়িয়ে আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে ৩৪৫টি নতুন সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। এদের অধিকাংশই সিডনিতে। আগের দিনের সংক্রমণ সংখ্যা ছিল ৩৪৪টি। 

সিডনিতে আরও তিনটি স্থানীয় কাউন্সিল এলাকায় লকডাউনের নিয়ম কঠোর করা হয়েছে। এর ফলে মানুষের চলাচল তাদের বাড়ির ৫ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।