সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কাটার ঘটনায় বৃহস্পতিবারও তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হননি সাময়িক বহিস্কৃত হওয়া অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন। 

আত্মপক্ষের সমর্থনে তার বক্তব্য বা স্বাক্ষ্য নিতে তদন্ত কমিটির সদস্যরা দিনভর তার মোবাইল ফোনে কল করলেও তিনি সাড়া দেননি।

এদিকে শিক্ষক ফারহানার স্থায়ী বহিস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে একাডেমিক ভবন ও সন্ধ্যায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান তদন্ত কমিটির প্রধান প্রভাষক লায়লা ফেরদৌস হিমেল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সমকালকে বলেন, ‘আজও তিনি আসলেন না। সারদিন ফোনও রিসিভ করেননি তিনি। বিষয়টি খুবই বিব্রতকর। তদন্ত শেষ করে আগেই খসড়া রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ম্যাডাম ফারহানা আসলে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য বা মন্তব্য যুক্ত করে সুপারিশমালাসহ তদন্ত প্রতিবেদন ৭ কর্মদিবস অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হত। তার কারণে তদন্ত শেষ হয়েও শেষ হতে পারছে না।’

লায়লা ফেরদৌস হিমেল বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের সাথে বিশদ আলোচনা করে আগামী রোববার অবশ্যই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’ 

গত ২৬ সেপ্টেম্বর ১৪ শিক্ষার্থীর চুলকাটার ঘটনায় শিক্ষক ফারহানার মেইলে ও বাড়ির ঠিকানায় চূড়ান্ত নোটিস পাঠায় তদন্ত কমিটি।

এর আগে গত ৪ অক্টোবর তদন্ত কমিটি প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসে। সেদিন শিক্ষক ফারহানাকে ডাকা হলেও তিনি হাজির হননি।