পানের পিক ফেলা নিষেধ করা হয়েছে। এই জন্য ধার্য করা হয়েছে জরিমানাও।  কিন্তু  জরিমানা করলেও পান বা গুটখার পিক ফেলা আটকানো যাচ্ছে না ভারতে। তাই এই পানের পিক পরিস্কার করতেই  ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে ভারত সরকারের। সেই সঙ্গে রেল স্টেশন পরিষ্কার করতে গ্যালন গ্যালন জল ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে ভারত সরকার স্টেশন চত্বরে যাতে পিক ফেলা বন্ধ হয়, সেজন্য এবার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে রেল। পান বা গুটখার পিক ফেলা রুখতে এবা পরিবেশবান্ধব পিক ফেলার ছোটো আকারের প্যাকেট বিতরণ করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। 

রেল সূত্রের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমন জানিয়েছে, ইজিস্পিট নামে পরিবেশবান্ধব ছোটো আকারের এই পিকদানি খুব সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবে। বারবার সেটিকে ব্যবহারও করা যাবে। ১৫ থেকে ২০ বার ওই পিকদানিটিকে ব্যবহার করা যাবে। রেলের ৪২টি স্টেশনে এই পিকদানি পাওয়া যাবে। মাত্র ৫ টাকা থেকে ১০ টাকায় দামে ছোটো আকারের এই পিকদানি পাওয়া যাবে। এখনও পর্যন্ত পশ্চিম, উত্তর ও মধ্য রেল জোনে এই নতুন ধরনের পিকদানির ব্যবহার শুরু হয়েছে।

রেল কর্তাদের আশা, নতুন এই পিকদানি ব্যবহার করার ফলে ট্রেনের ভিতর বা রেল স্টেশন চত্বরে স্বচ্ছতা আরও বাড়বে। রেলের এই তিনটি জোনে নতুন ধরনের এই পিকদানি বিতরণের জন্য কিয়স্ক করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, নতুন ধরনের পিকদানি ব্যবহাক করে মাটিতে ফেলে দিলে তা গাছ উৎপাদনে আরও সহায়তা করবে। ফলে এগুলিকে যেকোনও জায়গায় ফেলে দিলে কোনও অসুবিধা নেই।

 ইতিমধ্যে রেলের তরফে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে স্বচ্ছতা অভিযান চালাতে কম উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই প্রকল্পে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে রেল স্টেশন পরিষ্কার করতে গ্যালন গ্যালন জল ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি স্টেশন চত্বরে পিক ফেললেই ৫০০ টাকা জরিমানা করা হচ্ছে। কিন্তু তাতেও পান বা গুটখার পিক ফেলা রোখা যায়নি। রেলের এই উদ্যোগ যেহেতু পরিবেশবান্ধব, তাই এই পরিষেবায় সাধারণ মানুষেরাও উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।