রাজশাহীর বাঘায় রিনা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

দুপুরে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রিনা বেগম বাঘা উপজেলার হরিনা বিনিময়পাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দীনের স্ত্রী। ৩ সন্তানের জননী রিনা বেগমের স্বামী ও বাবার বাড়ি পাশাপাশি গ্রামে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সাপে কাটার সংবাদে রিনা বেগমের স্বামীর বাড়িতে যায় তার ভাই-ভাবি ও নিকটাত্মীয়রা। পরে শুক্রবার ভোররাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিনা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।

রিনা বেগমের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ থাকায় শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে মরদেহ থানায় নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রিনা বেগমের ভাই সেরাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাতেই তারা বোনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। রিনার ডান পায়ের পাতার ওপরে কিছু একটা কামড় দিয়েছে বলে জানিয়েছিল সে। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

রিনার স্বামী হেলাল উদ্দীন সাপে কাটার দাবি করে বলেন, পাশের গ্রামের ওঝাকে দেখানোর পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আহমেদ বলেন, তার শরীরে সাপে কাটার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে পায়ের এক স্থানে আঁচড়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে ওই গৃহবধূর শরীরে সাপে কাটা কিংবা আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।