আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ কী হবে এ নিয়ে বৈঠকে বসেছে প্রতিবেশী দেশগুলো। বুধবার ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে যোগ দিয়েছেন আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান, ইরান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। একদিনের এ বৈঠকে তালেবানশাসিত আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকটি উদ্বোধন করেন ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবের। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসি অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি। খবর আল জাজিরার।

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোখবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক পরাজয় হয়েছে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, তারা এ অঞ্চল থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেবে। ওরা তাদের ধ্বংসাত্মক নীতি বাস্তবে সব রকম চেষ্টা চালাবে। আইএসআইএলকে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রক্সি’হিসেবে উল্লেখ করে মোখবের বলেন, তাদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এখন আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ বাধানোর চেষ্টা করছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসের একটি ভিডিও লিংকের সূত্র ধরে তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ আফগানিস্তানে মানবিক মহাসঙ্কটের কথা বলেছেন এবং আফগানিস্তানে ত্রাণ পৌঁছানোর বিষয়ে তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তালেবান জাতিসংঘের উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।

গুতেরেস তার সেই ভিডিও বার্তায় তালেবান দখলের পর দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং হামলার কারণে বিরক্তি প্রকাশ করেছে এবং সন্ত্রাস ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছে।

নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসার আগে সাতটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যৌথ বিবৃতিতে সম্মেলনকে স্বাগত জানান । পাশাপাশি আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ এড়ানোর লক্ষ্যে সবাইকে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানান।