জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষ সম্মেলনে (কপ ২৬) উপস্থিত না হওয়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও  চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কঠোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক ভাষণে বাইডেন বলেন, জলবায়ু একটা বড় ইস্যু ছিল। চীন আসলো না, রাশিয়া এবং পুতিনও তাই করলেন। 

ভ্লাদিমির পুতিনের বিষয়েও একই ধরনের মন্তব্য করেন বাইডেন। তিনি বলেন, রাশিয়ার বিশাল অংশ জ্বলছে আর দেশটির প্রেসিডেন্ট এই ব্যাপারে নিশ্চুপ হয়ে আছেন। 

গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনে জিনপিং ও পুতিন আসেননি। তবে দুটি দেশই তাদের প্রতিনিধি পঠিয়েছে। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে দুই সপ্তাহব্যাপী এই সম্মেলন ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। ১২০টিরও বেশি দেশের শীর্ষ নেতারা এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। খবর বিবিসি অনলাইনের।  

সম্মেলনে অন্যান্য দেশ বিশেষ করে চীন, রাশিয়া ও সৌদি আরবের ভূমিকা কি এমন প্রশ্নে বাইডেন তার বক্তব্যে দেশগুলোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বোঝা যাচ্ছে চীন এটা জাহির করার চেষ্টা করছে, বিশ্বনেতা হিসেবে তারা নতুন ভূমিকা নিয়েছে। এ সময় তিনি শি জিনপিংয়ের সম্মেলনে উপস্থিত না হওয়াকে ‘বিরাট ভুল’ বলে মন্তব্য করেন।  

পুতিন সম্পর্কেও একই ধরনের মন্তব্য করেন বাইডেন। তিনি বলেন, রাশিয়ার বিশাল অংশ জ্বলছে আর দেশটির প্রেসিডেন্ট এই ব্যাপারে নিশ্চুপ হয়ে আছেন। 

বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণকারী পাঁচ দেশ 

চীন বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন ডাই অক্মাইড নিঃসরণকারী দেশ। এর পরই  যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। আর ইইউ ও ভারতের পর পঞ্চম সর্বোচ্চ দেশ হলো রাশিয়া। এই সম্মেলন থেকে ইতোমধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ২০৩০ সাল নাগাদ মিথেনের স্তর নামিয়ে আনা, বন উজার কমানো ও  বন্ধ করা। চীন ও রাশিয়া উভয়ই বন উজার বন্ধের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। 

এদিকে বাইডেনের বক্তব্যের আগে মঙ্গলবার সম্মেলনের বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক বৈঠকে পুতিন ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়েছেন। ক্রেমলিনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ওই বক্তব্যে পুতিন বলেছেন,  বনভূমি রক্ষায় রাশিয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ও জোরালো পদক্ষেপ নিবে।