'দেশের এভিয়েশন শিল্প দ্রুত এগিয়ে চলেছে। ঢাকা-মালদ্বীপের মধ্যে ইউএস-বাংলার সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা এ খাতের জন্য বড় প্রাপ্তি। এর ফলে রাজস্ব আয় বাড়বে। সেখানে এ দেশের জনশক্তির কর্মসংস্থান ঘটার ও বৈদেশিক মুদ্রা আসার পথ প্রশস্ত হবে। নীল সাগরের দেশ মালদ্বীপের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনায় উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও আরও গভীর সুসম্পর্ক সৃষ্টি হবে।'

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা-মালে ইউএস-বাংলার সরাসরি ফ্লাইট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের ভিআইপি লাউঞ্জে এ অনুষ্ঠান হয়। উদ্বোধনের পর সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে যাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মালদ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করে ইউএস-বাংলার প্রথম ফ্লাইট।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে মালদ্বীপের হাইকমিশনার শীরুজিমাথ সামির, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর সাদিকুর রহমান চৌধুরী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল মালেকসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএস-বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ আবদুলল্গাহ আল মামুন বলেন, ভ্রমণপিপাসু বাংলাদেশি পর্যটক ও মালদ্বীপে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বহু দিনের প্রত্যাশা পূরণ করল ইউএস-বাংলা। এর ফলে দুই দেশের পর্যটন শিল্প আরও গতিশীল হয়ে উঠবে।

ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম জানান, করোনার সময় সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা-মালে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করা হয়। ১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে উদ্বোধনী ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে তিন দিন প্রতি মঙ্গল, শুক্র ও রোববার ঢাকা থেকে মালদ্বীপে সরাসরি ফ্লাইট চলবে ইউএস-বাংলার।