ঢাকা বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন নৌ কর্মকর্তা দং জুন

চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন নৌ কর্মকর্তা দং জুন

চীনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান দং জুন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১০:৩৭ | আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১০:৪০

শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে সম্প্রতি চীনের মন্ত্রিসভায় রদবদল আনা হয়েছিল। গত অক্টোবরে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কাছাকাছি সময়ে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হয় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাংকে।  

কয়েক মাস প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ শূন্য থাকার পর নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ দিলো দেশটি। নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান দং জুনকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে পর দং জুনকে এ পদে নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- সম্প্রতি চীন সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার পদান্নতি ও কিছু পদে রদবদল এনেছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে দং জুন-এর জায়গায় নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান হু ঝংমিং। 

গত জুলাই মাসে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই কিন গ্যাংকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেপ্টেম্বরে খবরে আসে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুর আড়ালে চলে যাওয়ার বিষয়টি। পরে জানা যায়, তিন সপ্তাহ ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি সাংফুকে ‘আটক’ করা হয়েছে। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সামরিক ও যুদ্ধাস্ত্র ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগে তিনি তদন্তকারীদের কাছে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও আট সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও তদন্ত করছে চীনের সামরিক বাহিনীর তদন্ত কমিশন। দেশটির ১০ জন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার চীনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাতে জানায়, লি-কে গত সেম্পেম্বরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তুলে নেওয়া হয়। কর্মকর্তারা জানান, চীনের সামরিক বাহিনীর সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় ইউনিটের ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধান ছিলেন লি। সে সময়ই সেখানে দুর্নীতি হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

গত মার্চে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পান লি। দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাস পরই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। আর এ তদন্ত করছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রভাবশালী ডিসিপ্লিনারি ইন্সপেকশন কমিশন।


 

আরও পড়ুন

×