ফাইজারের অ্যান্টি-কোভিড ট্যাবলেট ‘জুপিটাভির’ বাজারে আনার আগে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস দাবি করছে, এই ট্যাবলেট করোনায় আক্রান্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যু প্রতিরোধে ওষুধটি প্রায় ৯০ শতাংশ কার্যকর।

ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস করোনার চিকিৎসার জন্য ফাইজারের মুখে খাওয়ার অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ প্যাক্সলোভিড বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশে ‘জুপিটাভির’ নামে ওষুধটি বাজারজাতকরণ শুরু করেছে ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

ওষুধ প্রসাশন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের মৃদু থেকে মাঝারি কোভিড-১৯ সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য  ওষুধটির জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইউএস-এফডিএ) কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য মুখে খাওয়ার প্রথম ওষুধ হিসাবে ওষুধটিকে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। 

সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ওষুধটি করোনাভাইরাসের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ধরন ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও কার্যকারিতা দেখিয়েছে বলে দাবি করছে ফাইজার। 

জুপিটাভিরে দুই ধরনের ওষুধ রয়েছে- নির্মাট্রেলভির এবং রিটোনাভির। নির্মাট্রেলভিরের সঙ্গে অবশ্যই  রিটোনাভির সেবন করতে হবে। 

নির্মাট্রেলভিরের দুইটি ট্যাবলেট এবং রিটোনাভিরের একটি ট্যাবলেট এক সঙ্গে দিনে দুইবার করে মোট পাঁচ দিন সেবন করতে হবে। 

জুপিটাভির শুধুমাত্র চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সেবন করতে হবে এবং কোভিড-১৯ শনাক্তের পর যত দ্রুত সম্ভব এবং লক্ষণ শুরু হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে জুপিটাভির সেবন শুরু করলে কার্যকর ফলাফল পাওয়া যাবে।