করোনার লকডাউনে জন্মদিনের অনুষ্ঠানসহ একাধিক পার্টিতে যোগ দেওয়ার অভিযোগে যখন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের চেয়ার নিয়ে টানাটানি চলছে। এমন সময় তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন পদত্যাগ করার প্রশ্নই আসে না। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম বিবিসির 'প্রাইম মিনিস্টারস কোয়েশ্চেনস' শীর্ষক লাইভ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে কনজারভেটিভ পার্টি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনসনকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন লেবার পার্টিসহ স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট এমপিরা। ৩৫ মিনিটের ওই সেশনে কেউ তাকে বর্তমানে আলোচনার তুঙ্গে থাকা রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা বা অন্য কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করেননি। বিরোধীদের একটাই দাবি- ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টিতে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করেছেন এবং এ জন্য তার পদত্যাগ করতে হবে।

সম্প্রতি ২০২০ সালের ২০ মে একটি মদের পার্টিতে যোগ দেওয়ার ঘটনায় পার্লামেন্টে ক্ষমা চেয়েছেন জনসন। এখন নতুন করে অভিযোগ উঠেছে, তিনি ওই বছরের ১৯ জুন তার জন্মদিনের অনুষ্ঠানসহ দুটি পার্টিতে অংশ নেন। সেখানে ৩০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। অথচ ওই সময় লকডাউনের বিধি অনুযায়ী সব ধরনের পার্টি বা অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ ছিল।