দোনবাস অঞ্চলে উত্তেজনার মধ্যে ইউক্রেনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এর আগে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি অবস্থা জারির পরামর্শ দিয়েছিল। পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিষয়টি বুধবার পার্লামেন্টে উত্থাপন করলে আইনপ্রণেতারা এতে অনুমোদন দেন।

বৃহস্পতিবার থেকে এ জরুরি অবস্থা কার্যকর হবে, বহালা থাকবে ৩০ দিন। খবর আলজাজিরার।

এ জরুরি অবস্থা জারির পর কর্তৃপক্ষ ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলার স্বার্থে’ চলাচল, র‌্যালি বন্ধ করে দেওয়া ও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবে।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে মস্কো সমর্থিত বিদ্রোহীদের দখলে থাকা দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে ‘শান্তি রক্ষার জন্য’ সেনা পাঠানোর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। 

এর আগে তিনি ইউক্রেন থেকে আলাদা হতে চাওয়া ওই অঞ্চল দুটিকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন। 

রাশিয়ার এসব পদক্ষেপকে ‘আক্রমণের সূচনা’ হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ রাশিয়াকে শায়েস্তা করতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। 

ইউক্রেনের সীমান্তে রাশিয়ার সেনা সমাবেশের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ আশঙ্কা করছে, মস্কো হয়তো কিয়েভে হামলা চালাতে পারে।

যদিও রাশিয়া ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। কিন্তু দেশটি ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার প্রচেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করেছে।

মস্কো আরও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা চায়। সেটি হলো—সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো তার সম্প্রসারণ কার্যক্রম বন্ধ করবে। কিন্তু ওয়াশিংটন ও ন্যাটো রাশিয়ার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।