ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেষ্টা আন্তন গেরাশচেঙ্কো বলেছেন, ‘কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে’ রাশিয়ার ‘আক্রমণ শুরু’ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে তিনি এ কথা বলেন। খবর সিএনএনের।

গেরাশচেঙ্কো ফেসবুক পোস্টে বলেন, কিয়েভ ও খারকিভের বিমানঘাঁটি ও সামরিক সদরদপ্তরে হামলা এবং সীমান্তে গোলা বর্ষণের ঘটনা ঘটছে।

এর আগে ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলে ‘সামরিক অভিযানের’ ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

স্থানীয় সময় সকাল ৬টার আগে টেলিভিশনে দেওয়া আকস্মিক এক ভাষণে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। 

পুতিন বলেন, পূর্ব ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের যেসব সেনা সদস্য রয়েছেন তারা অস্ত্র ফেলে দিয়ে ঘরে ফিরে যান।

যে কোনো ধরনের রক্তপাতের জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করা হবে বলে সতর্ক করে দেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘ন্যায় ও সত্য’ রাশিয়ার পক্ষে রয়েছে।

হুঁশিয়ারি দিয়ে পুতিন বলেন, যদি কেউ রাশিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করে তবে প্রতিক্রিয়া হবে ‘তাৎক্ষণিক’।

আত্মরক্ষার্থে রাশিয়া এ পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে মস্কো সমর্থিত বিদ্রোহীদের দখলে থাকা দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে ‘শান্তি রক্ষার জন্য’ সেনা পাঠানোর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর আগে তিনি ইউক্রেন থেকে আলাদা হতে চাওয়া ওই অঞ্চল দুটিকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন।  এর পর থেকে ওই অঞ্চলে সংঘাত তীব্র হয়।