রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মস্কো কিয়েভের সামরিক স্থাপনাগুলোকে নির্ভুল অস্ত্রের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

রুশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানায় আলজাজিরা।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সামরিক অবকাঠামো, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সামরিক বিমানঘাঁটি এবং ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর বিমান চলাচল উচ্চ নির্ভুল অস্ত্র দিয়ে অকার্যকর করা হচ্ছে।

এর আগে ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলে ‘সামরিক অভিযানের’ ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

স্থানীয় সময় সকাল ৬টার আগে টেলিভিশনে দেওয়া আকস্মিক এক ভাষণে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। 

পুতিন বলেন, পূর্ব ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের যেসব সেনা সদস্য রয়েছেন তারা অস্ত্র ফেলে দিয়ে ঘরে ফিরে যান।

যে কোনো ধরনের রক্তপাতের জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করা হবে বলে সতর্ক করে দেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘ন্যায় ও সত্য’ রাশিয়ার পক্ষে রয়েছে।

হুঁশিয়ারি দিয়ে পুতিন বলেন, যদি কেউ রাশিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করে তবে প্রতিক্রিয়া হবে ‘তাৎক্ষণিক’।

আত্মরক্ষার্থে রাশিয়া এ পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে মস্কো সমর্থিত বিদ্রোহীদের দখলে থাকা দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে ‘শান্তি রক্ষার জন্য’ সেনা পাঠানোর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর আগে তিনি ইউক্রেন থেকে আলাদা হতে চাওয়া ওই অঞ্চল দুটিকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন।  এর পর থেকে ওই অঞ্চলে সংঘাত তীব্র হয়।