ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতারা। তারা বলেছেন, ব্যবস্থা নেওয়া হবে মস্কোর বিরুদ্ধে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

জার্মান সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাকে সমর্থন জানিয়েছেন।

জার্মানির বাণিজ্যমন্ত্রী রবার্ট হাবেক বলেন, এ হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, ‘বিনা উসকানিতে’ এ হামলার ঘটনায় আমি ‘শঙ্কিত’ এবং ব্রিটেন এর জবাব দেবে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি বলেন, এ হামলার ঘটনা অন্যায় এবং অযৌক্তিক। ঐক্য ও সংকল্পবদ্ধ হয়ে ইউরোপ ও ন্যাটোর মিত্রদের সঙ্গে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য আমরা কাজ করছি।

অপরদিকে পোল্যান্ড সরকারের মুখপাত্র পিওতর মুলার বলেন, এখন পূর্বাঞ্চলে ন্যাটোর শক্তিবৃদ্ধির সময়। আমরা আশা করি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলে ‘সামরিক অভিযানের’ ঘোষণা দেন। এর কিছুক্ষণ পরই দেশটির বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কিয়েভ বলছে, রাশিয়া পূর্ণ মাত্রায় হামলা শুরু করেছে। এর মধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশজুড়ে সামরিক আইন জারি করেছেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পর সেখানে শান্তির জন্য সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর পর ওই দুই অঞ্চলে সংঘর্ষ তীব্র হয়েছে।

এর আগে ইউক্রেনের সীমান্তে লাখেরও বেশি রুশ সেনা সমাবেশের কারণে পশ্বিমা বিশ্ব ধারণা করছিল মস্কো হয়তো কিয়েভে হামলা চালাবে। যদিও রাশিয়া এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছিল এতদিন। তবে পুতিনের ‘সামরিক অভিযানের’ ঘোষণা পশ্চিমাদের ধারণাকে সত্য হিসেবে প্রমাণ করল।