রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, বতর্মান রাজনৈতিক পরিস্থিতির ফলে রাশিয়ার সঙ্গে চীনের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। 

রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সকে ল্যাভরভ বলেন, এমন একটা সময় যখন পশ্চিমারা যেসব ভিত্তির ওপর নির্ভর করে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে সেসব ক্ষুণ্ন করেছে, ওই সময় আমরা, দুই পরাশক্তির ভাবা দরকার কিভাবে বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। শনিবার বিবিসি অনলাইন এই খবর প্রকাশ করেছে। 

এদিকে হোয়াইট হাউস বলেছে, শুক্রবার এক ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে রাশিয়াকে যদি বেইজিং সহায়তা দেয় তাহলে তার ‘প্রভাব এবং পরিণতি’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। 

অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিনপিং এই যুদ্ধকে ‘কারো স্বার্থে নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরাসরি সমালোচনাও করেননি। 

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে সামরিক সরঞ্জামের জন্য চীনের কাছে সহায়তা চেয়েছে। যদিও রাশিয়া বিষয়টি অস্বীকার করেছে। 

উল্লেখ্য, শনিবার ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের ২৪ তম দিন চলছে। এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশের পর ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়ান সেনারা। এ অভিযানের অংশ হিসেবে স্থল, আকাশ ও জলপথে ইউক্রেনে হামলা চালানো হচ্ছে। অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীও প্রতিরোধের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। এ ছাড়া ইউক্রেনে হামলার প্রতিক্রিয়ায় পাশ্চাত্যের বেশ কয়েকটি দেশ মস্কোর ওপর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে।