দুপুরে জুমার নামাজ শেষে চলছিল ভোজের আয়োজন। এরই মধ্যে কনের স্বজনের একটি অংশ খেয়ে উঠেছেন। তখনও বর এসে পৌঁছাননি। তাদের জন্যও খাবার প্রস্তুত। এমন সময় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম পুলিশ, গ্রাম পুলিশ আর ওয়ার্ড সদস্যকে নিয়ে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন। এ খবর পেয়ে কনে ছাড়াই ফিরে গেলেন বর; বন্ধ হলো বাল্যবিয়ে।

এমন ঘটনাই ঘটেছে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ৫ নম্বর মাঝগাঁও ইউনিয়নে। শুক্রবার ছিল ইউনিয়নের বাহিমালী গ্রামের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর এবং একই ইউনিয়নের মানিকপুর মুন্সিপাড়া এলাকার নবম শ্রেণির আরেক ছাত্রীর বিয়ে।

মাঝগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল আলীম বলেন, দুই ছাত্রীর পরিবারকে বাল্যবিয়ের কুফল ও এ বিষয়ে দেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে বোঝানো হয়। তারা ভুল বুঝতে পেরেছে। সেই সঙ্গে ১৮ বছর বয়স না হলে মেয়েকে বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন। পরের তারাই বরযাত্রীকে মোবাইলে ফোন দিয়ে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়াম খাতুন বলেন, দুটি বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে তা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বড়াইগ্রামে কোনোভাবেই বাল্যবিয়ে হতে দেওয়া হবে না।