পাকিস্তানের নতুন শাহবাজ শরিফ দায়িত্ব নেওয়ার পর সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। 

পাকিস্তানের দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার পার্লামেন্টারি হাউসে পিপিপির বৈঠকের পর পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলী জারদারি সাংবাদিকদের জানান, তার মনে হচ্ছে, পিপিপি মন্ত্রিত্ব নিতে চাচ্ছে না। তবে তারা চায়, তাদের বন্ধুদের আগে শাহবাজের মন্ত্রিসভায় নেওয়া উচিত। 

তিনি আরও বলেন, আমরা স্বতন্ত্র থেকে সরকারের কাজে সহায়তা করে যেতে চাই।

এদিকে জোটের আরেক শরিক এমকিউএম-পি-এর আহ্বায়ক খালিদ মকবুল সিদ্দিকী বলেছেন, তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হওয়ার চেয়ে জনগণের সেবায় বেশি আগ্রহী। 

এর আগে পিপিপি দলের নেতাদের জন্য পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে যারা জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে দলের টিকিট পেতে চান, তাদের ফরমে আবেদন করতে বলা হয়েছে। দলটি বলেছে, জাতীয় পরিষদের দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ফরমের জন্য ৪০ হাজার রুপি এবং প্রাদেশিক পরিষদের জন্য ৩০ হাজার রুপি দলের ফান্ডে জমা দিতে হবে। 

পিপিপির সাধারণ সম্পাদক ফারহাতুল্লাহ বাবর বলেছেন, আবেদন ফরম দলের ইসলামাবাদ দপ্তরে অথবা করাচিতে বিলাওয়াল ভুট্টোর করাচির বাসভবনে ৩০ এপ্রিলের মধ্য পাঠাতে হবে।

১১ এপ্রিল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পিপিপিকে মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার জন্য জোর দিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তবে ক্ষমতাসীন জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল পিপিপি তাকে বলেছে যে মন্ত্রিসভার বাইরে থাকার সময় তারা তাকে সমর্থন করতে বেশি আগ্রহী। 

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সময় নিচ্ছেন। কারণ, তিনি মিত্রদের সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে চান।