শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের’ শিকার হয়েছেন এক কিশোরী। 

পুলিশ এ ঘটনায় মঙ্গলবার হাফিজুর রহমান (৩৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদিন বিকেলে তিনি শেরপুর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে সমকালকে জানান শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. হান্নান মিয়া।

তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমের বড় বোন একটি মামলা করেছেন। কিশোরীকে মঙ্গলবার ডাক্তারি পরীক্ষার পর পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। 

মামলার অন্য আসামি আলমকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

তিনি বলেন, দুদিন আগে বড় বোনের সঙ্গে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার পথে ছমনপুর গ্রামের সুরুজ্জামানের ছেলে সবজি বিক্রেতা হাফিজুর রহমান মন্টু ও হাতি আলগা গ্রামের আজাদ মিয়ার ছেলে আলম মিয়া রিকশা থামিয়ে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে। পরে তারা পাশের লেবুর ঝোঁপে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় অচেতন অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন বড় বোন। সেদিন রাতেই তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।