ইউক্রেনে রাশিয়া নতুন প্রজন্মের লেজার অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে দাবি করলেও এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।

এক ব্রিফিংয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি এ কথা বলেন।

মস্কোর দাবি, শত্রুদের ড্রোন ধ্বংস করার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের শক্তিশালী লেজার অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।

তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র কিরবি বলছেন, ইউক্রেনে লেজার অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে আমাদের হাতে এমন প্রমাণ নেই, অন্তত অস্ত্রযুক্ত লেজার। এটি নিশ্চিত করার কিছু নেই।

সামরিক উন্নয়নের দায়িত্বে থাকা রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী ইউরি বরিসভ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইউক্রেনে জাদিরা নামের একটি লেজার অস্ত্রের প্রোটোটাইপ মোতায়েন করা হয়েছে। এটি পাঁচ কিলোমিটার (তিন মাইল) দূরত্বে থাকা ইউক্রেনের একটি ড্রোন পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে পুড়িয়ে দিয়েছে।

এটি আগের লেজার সিস্টেম পেরেসভেটের নতুন সংযোজন।

এদিকে রাশিয়ার লেজার অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে কৌতুক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। 

একে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসী জার্মানির তথাকথিত ‘ওয়ান্ডার ওয়েপন’ উন্নয়নের দাবির সঙ্গে তুলনা করেন। 

রাশিয়া ইউক্রেনে ২৪ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরু করে। প্রথমদিকে কিয়েভের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল রুশ সেনারা। কিন্তু হুট করে ইউক্রেনের দোনবাস ও দক্ষিণাঞ্চলকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর কথা জানায় মস্কো। এর পর সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি হামলা জোরদার করা হয়েছে পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে।