কাশ্মীমের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দিল্লির স্পেশাল আদালত এ রায় দেন। খবর এনডিটিভির।

যদিও ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি তার সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসির দাবি জানিয়েছিল।

অপরদিকে ইয়াসিনের আইনজীবীরা যাবজ্জীবনের আবেদন করেন। 

আইনজীবী উমেশ শর্মা বলেন, দুটি মামলায় যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাকে ১০ লাখ রুপি জরিমানাও করা হয়েছে।

এ সাজার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদনের সুযোগ রয়েছে ইয়াসিনের।

মালিককে এর আগে বেআইনি কার্যক্রম প্রতিরোধ আইনের (ইউএপিএ) অধীনেসহ যেসব অভিযোগ রয়েছে সবগুলোতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এর পর দিল্লির স্পেশাল এনআইএ  কোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন।

শুনানির সময় মালিক প্রশ্ন করেন, তিনি যদি সন্ত্রাসীই হয়ে থাকে তবে তাকে অটল বিহারি বাজপেয়ীর সরকার কেন পাসপোর্ট দিয়েছিল?

তিনি আরও বলেন, আমি ১৯৯৪ সালে অস্ত্র সমর্পণের পর থেকে মহাত্মা গান্ধীর নীতিতে চলে এসেছি। আমি তখন থেকেই কাশ্মীরে অহিংস রাজনীতি করে এসেছি।

তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, ভারতীয় গোয়েন্দাগুলো খুঁজে বের করুক আমি গত ২৮ বছরে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা সহিংসতায় জড়িত ছিলাম কিনা। আমার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেব।

এদিকে রায়কে কেন্দ্র করে শ্রীনগরের কিছু অংশ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, যে কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে শ্রীনগরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হয়েছে।