ইউরোপ-আমেরিকাজুড়ে নতুন ভাইরাস ম্যাঙ্কিপক্স ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সাগরকন্যার দেশ পর্তুগালেও ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাসটি। প্রতিদিনই বাড়ছে শনাক্তের সংখ্যা। ২৬ মে পর্তুগালের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, পর্তুগালে এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের শরীরে ম্যাঙ্কিপক্স ভাইরাস পাওয়া গেছে। আক্রান্ত সবাইকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সেই সাথে চলছে ম্যাঙ্কিপক্স সংক্রমণ রোধে গবেষণা। একই সাথে স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। 

করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই বছর পুরো পৃথিবীর জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছিল। যার প্রভাব পড়েছিল অর্থনীতিতেও। বাদ পড়েনি পর্তুগালের অর্থনীতিও। করোনার ক্ষত কাটিয়ে জীবন যখন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, অর্থনীতির চাকা যখন ঘুরতে শুরু করেছে তখনই দেখা দিয়েছে নতুন ক্ষত।

সম্প্রতি ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে ম্যাঙ্কিপক্স ভাইরাসের সংক্রমণ। ইউরোপের দেশ পর্তুগালেও প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী আক্রান্ত হচ্ছেন। পর্তুগালে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। করোনাকালীন নতুন এক অজানা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ার স্মৃতি সুখকর নয় কারো। আবার সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে বিপদে পড়বেন পর্তুগালের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

চলতি মে মাসের ২০ তারিখে ইউরোপে মাঙ্কিপক্স শনাক্তের তথ্য সংরক্ষণ শুরু হয়। ওইদিন ইউরোপে আক্রান্তের  সংখ্যা ছিল ৩৮ জন। ইইউ অ্যাজেন্সির প্রতিবেদন অনুসারে, গত বুধবার পর্যন্ত এই সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ গুণ।

ইসিডিসি চলতি সপ্তাহের শুরুতে বলেছিল, এটিতে সংক্রমণের ঝুঁকি ‘অত্যন্ত কম’। তবে সতর্ক করে দিয়েছিল যে যাদের একাধিক যৌনসঙ্গী (বিপরীত বা সমলিঙ্গ-উভয়ে সঙ্গে যৌন সম্পর্ক) রয়েছে তারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ক্লিনিক্যাল উপস্থাপনায় এটিকে হালকা বলে বর্ণনা করে বলা হয়েছে, এতে এখনো কারও মৃত্যু হয়নি।