আইপিএলে সময়টা ভালো যায়নি রেকর্ড দামে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে পুনরায় নাম লেখানো ইষাণ কিষাণের। সময় ভালো যায়নি তার দল মুম্বাইয়েরও। তবে ভারতের জার্সি গায়ে দিতেই অন্য রূপে ইষাণ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের প্রথম টি-২০ ম্যাচে তার ব্যাটে ভর করে ৪ উইকেটে ২১১ রান তুলেছে ভারত। ঝড় দেখিয়েছেন হার্ডিক পান্ডিয়াও। 

নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মা, ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক কেএল রাহুল, সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি ছাড়া খেলতে নেমেছে ভারত। পেস অ্যাটাকে নেই বুমরাহ-শামিও। ‘দ্বিতীয় সারির’ দলটির বিপক্ষে টস জিতে বোলিং নিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। কিন্তু দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের ব্যাটিং উইকেটে বল হাতে সুবিধা করতে পারেননি রাবাদা-মহারাজরা। 

ব্যাট করতে নেমে ইষাণ এবং ঋতুরাজ গাইকোয়াড় ৫৭ রানের জুটি গড়েন। গাইকোয়াড় ফিরে যান ১৫ বলে তিন ছক্কায় ২৩ রান করে। এরপর ইষাণ ফিরে যান ১৩ ওভারের শেষ বলে। ততক্ষণে নামের পাশে তিনি তুলে ফেলেছেন ৭৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস। ৪৮ বলে ১১ চার ও তিন ছক্কায় ওই ইনিংস সাজান তিনি। 

পরে শ্রেয়াস আয়ার, ঋষভ পান্ত ও হার্ডিক পান্ডিয়া রান পেয়েছেন। তবে সবচেয়ে বড় ঝড়টা দেখিয়েছেন নেতৃত্বর সঙ্গে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত আইপিএল মৌসুম পার করে গুজরাটকে শিরোপা জেতানো পান্ডিয়া। ভারতীয় পেস অলরাউন্ডার খেলেন ১২ বলে তিন ছক্কা ও দুই চারে ৩১ রানের ইনিংস। তার আগে আয়ার ২৭ বলে তিন ছক্কা ও এক চারে ৩৬ এবং পান্ত ১৬ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় ২৯ রান করেন। 

দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁ-হাতি স্পিনার কেশব মহারাজ ৩ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে এক উইকেট নেন। কাগিসু রাবাদা ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থাকেন। আরেক গতিময় পেসার এনরিক নরকিয়া ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে একটি সাফল্য ঘরে তোলেন। ওয়েন পারনেল ৪ ওভারে ৩২ রানে একটি ও ডুয়াইন প্রিটোরিয়াস ৩ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট। তাবরেজ শামসি ২ ওভারে ২৭ রান দেওয়ার পরে তাকে বোলিও দেওয়ার সাহস করেননি প্রোটিয়া অধিনায়ক।