ময়মনসিংহে বজ্রপাতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। মাছ ধরতে গিয়ে তিন কৃষক এবং ফুটবল খেলতে গিয়ে তিন কিশোরের মৃত্যু হয়। আজ শুক্রবার এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। 

নান্দাইলের গাংগাইল ইউনিয়নের পংকরগাটি গ্রামের যে তিন কিশোর মারা গেছে তারা হলো- আবু সাঈদ (১৫), স্বাধীন মিয়া (১২) এবং শাওন মিয়া (১৩)। 

অন্যরা হলেন- ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দড়ি কুষ্টিয়া গ্রামের কৃষক বাক্কার হোসেন (৪০) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (৩০)। ধোবাউড়ার গোয়াতলা ইউনিয়নের চরমোহিনী গ্রামের গফুর মিয়ার ছেলে আবু সাঈদ (৩০)।

এলাকাবাসী ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের পংকরহাটি গ্রামের শহীদুল্লার ছেলে আবু সাঈদ, হাদিস মিয়ার ছেলে স্বাধীন মিয়া ও বিল্লাল মিয়ার ছেলে শাওন। সাঈদ বারই গ্রাম মাদ্রাসা থেকে হেফজ বিভাগ থেকে হাফেজ হয়েছে, স্বাধীন জলহরি মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগ পড়ছিল এবং শাওন নান্দাইল রোড উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ালেখা করছিল। শুক্রবার বেলা ২টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে তারা বাড়ির পাশে জমিতে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে আবু সাঈদ ও স্বাধীনকে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শাওনকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

অপরদিকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মৃত হাসেন আলী মণ্ডলের ছেলে আবু বাক্কার ও পচা মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বাড়ির পাশে মাছ ধরতে গেলে বজ্রপাতে মারা যান। গুগড়া বিলে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মারা যান ধোবাউড়ার গোয়াতলা ইউনিয়নের চরমোহিনী গ্রামের গফুর মিয়ার ছেলে আবু সাঈদ (৩০)।

নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান আকন্দ সমকালকে বলেন, বজ্রপাতে তিন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। 

ময়মনসিংহ কোতোয়োলি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ বলেন, মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়। 

ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টিপু সুলতান জানান, সকালে স্থানীয় গুগড়া বিলে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মারা যান সাঈদ।