চীনের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি প্রদেশে প্রবল বর্ষণে ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। ফলে সেখানকার লাখ লাখ মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকায় এবং বন্যার পানির উচ্চতা ৬০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হওয়ার পর মঙ্গলবার দুটি প্রদেশে বন্যা সতর্কতার মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। খবর এএফপির।

আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলেছেন, ১৯৬১ সালের পর ওই অঞ্চলে এবারই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। নদীতীরবর্তী ও নিচু এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের তুলনামূলক উঁচু জায়গায় সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর অন্যতম গুয়াংডং প্রদেশের শাওগুয়ানে কর্মকর্তারা বন্যা সতর্কতার মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করেছেন। শহরটি মে মাসের শেষ দিক থেকে রেকর্ড বৃষ্টিপাত দেখেছে। গুয়াংডংয়ের কুইংগুয়ান শহরেও সর্বোচ্চ বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ভিডিওতে বন্যায় সড়কে থাকা গাড়ি ভেসে যেতে দেখা গেছে। এ ছাড়া দড়ির সাহায্যে লোকজনকে উদ্ধারের দৃশ্যও ধরা পড়েছে।

গুয়াংডং ও গুয়াংসি প্রদেশকে ঘিরে রাখা পার্ল নদীর নিচু অববাহিকায় বৃষ্টি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন ও জাহাজে পণ্য পাঠানোর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় দেওয়া কঠোর বিধিনিষেধের কারণে এখানে আগে থেকেই এসব কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছিল।