বরগুনার তালতলী উপজেলার স্থগিত সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুলতান ফরাজীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের ছোট আমখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তিনজনকে আটক করে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সহিংসতার আশঙ্কায় স্থগিত সোনাকাটা ইউনিয়নে আগামী ২৯ জুন ভোট হবে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুস ফরাজী। আর আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হয়েছেন তারই ভাতিজা সুলতান ফরাজী। একই ফটক দিয়ে তাদের বাড়িতে যেতে হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় আনারস প্রতীকের অনুসারীরা বাড়িতে ঢোকার সময় সেখানে অবস্থানরত নৌকার কর্মী-সমর্থকদের মারধর ও এক পর্যায়ে বাড়িঘরে হামলা চলায়।

সুলতান ফরাজীর অভিযোগ, ইউনুস ফরাজীর দুই ছেলে সুজন ও সজীব ফরাজীর নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার লোকদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার স্ত্রী হেপী বেগমসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে তারা বাড়িতে হামলা করে ১৩টি মোটরসাইকেল, নগদ ৩ লাখ টাকাসহ স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনুস ফরাজী বলেন, নৌকার প্রার্থী সুলতানের লোকজন হামলা চালিয়ে আমার ১০ কর্মীকে আহত করেছে।

তালতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। হামলায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন- আবু বকর, মো. শাহীন ও মো. আবু হোসেন। তারা আনারস প্রতীকের কর্মী।