রাজশাহীর বাগমারায় শামসুদ্দিন নামে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকে অস্ত্রের মুখে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সকালে উপজেলার কনোপাড়া গ্রাম থেকে তাঁকে তুলে নেওয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

শামসুদ্দিন কনোপাড়া গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে। তিনি গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।

গোয়ালকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর সরকার বলেন, শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। আবার তিনি নিজে বাদী না হয়ে অনেকের বিরুদ্ধে অন্যকে বাদী বানিয়ে এ ধরনের মামলা করিয়েছিলেন। শুনেছি কে বা কারা তাঁকে তুলে নিয়ে গেছে। জিডি করার পরামর্শ দিয়েছি।
শামসুদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান রাজু জানান, সকালে কনোপাড়া গ্রামের রাস্তার পাশে নিজের পানবরজে কাজ করছিলেন তাঁর বাবা। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে হেলমেট পরা দু'জন লোক আসে। কিছুক্ষণ পর তারা অস্ত্র বের করে ভয় দেখিয়ে তাঁর বাবাকে মোটরসাইকেলে তুলে হেলমেট পরিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে নিয়ে তাহেরপুরের দিকে চলে যায়। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত বছর যশের বিলে একটি পুকুর খনন নিয়ে সহযোগী তাহেরপুরের রফিকুল ইসলাম রফিক নামে একজনের সঙ্গে বিরোধ হয়। পরে রফিক তাঁর বাবার কাছে অতিরিক্ত সাড়ে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। এ টাকার জন্য রফিক ভয়ভীতি দেখাচ্ছিলেন। এ কারণে তাঁর বাবাকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।
বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহমেদ জানান, শামসুদ্দিনের পরিবার নিখোঁজের জিডি করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অনেক আগের তিন-চারটি মামলা রয়েছে।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বলেন, এখন পর্যন্ত তাঁকে কারা নিয়ে গেছে তা জানা যায়নি। সন্ধান চলছে।