বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে আটক ১৩৫ ভারতীয় জেলেকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে বাগেরহাট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক খোকন হোসেন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার রাত ১০টার দিকে গভীর সমুদ্রে টহলরত নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ বিএনএস আলী হায়দার ও বিএনএস প্রত্যয় পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন রাবনাবাদ চ্যানেলের অদূরে পায়রা ফেয়ারওয়ে বয় এলাকায় বিপুল সংখ্যক বিদেশি ফিশিং ট্রলারের অবস্থান শনাক্ত করে।

পরে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ৩৬-৬০ নটিক্যাল মাইল (৬৭-১১১ কিলোমিটার) অভ্যন্তরে আটটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলারে অবৈধভাবে মৎস্য আহরণরত অবস্থায় ১৩৫ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করা হয়।

এরপর মঙ্গলবার রাতে আটক ১৩৫ ভারতীয় জেলের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করে মাছ শিকারের অপরাধে মামলা দিয়ে বাগেরহাটের মোংলা থানায় সোপর্দ করে নৌবাহিনী।

বুধবার দুপুরে আটটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলারে থাকা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৫০ মণ মাছ মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে নিলামে পাঁচ লাখ সাত হাজার টাকায় বিক্রি করে অর্থ রাজস্ব খাতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউএনও কমলেশ মজুমদার।