মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আজ বৃহস্পতিবার কথা বলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন। দুই নেতার আলোচনায় তাইওয়ান ও ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।

এদিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। পেলোসি তাইওয়ান সফরে গেলে ওয়াশিংটনকে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। এ পরিস্থিতিতেই শির সঙ্গে আলোচনা করছেন বাইডেন।

এ ছাড়া তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুও-চ্যাং উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ২০২৫ সালের মধ্যে তাইওয়ানে আক্রমণ করার 'সম্পূর্ণ সক্ষমতা' পাবে।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তার মুখপাত্র জন কিরবি মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা বিষয়টিও ফোকাস হবে। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে পঞ্চমবার আলোচনা হবে বলে জানান তিনি।

পেলোসি তাইওয়ান সফরে গেলে তাঁর বিমানে হামলা চালানোর আশঙ্কা খুবই সামান্য বলে বিশ্বাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। তবে মার্কিন পার্লামেন্টের স্পিকার এমন এক উত্তপ্ত স্থানে সফর করতে যাচ্ছেন যেখানে ভুল পদক্ষেপ কিংবা ভুল বোঝাবুঝিতেও তাঁর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ফলে যে কোনো পরিস্থিতির জন্য পরিকল্পনা সাজাচ্ছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পেলোসির তাইওয়ান সফর এখনও নিশ্চিত নয়। তবে তিনি যদি সেখানে যান তাহলে মার্কিন সেনাবাহিনী ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তাঁদের কার্যক্রম বাড়াবে। বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানালেও তারা বলেছে, যুদ্ধবিমান, জাহাজ ও নজরদারি সরঞ্জামসহ সামরিক ব্যবস্থার সব উপকরণই তার নিরাপত্তায় ব্যবহার করা হবে।