যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে মাঙ্কিপক্সে ছড়িয়ে পড়ার কারণে দেশে স্বাস্থ্য বিষয়ক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৬০০ ব্যক্তি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছে।  মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানব সেবা বিষয়ক মন্ত্রী জ্যাভিয়ার বেসারা বৃহস্পতিবার (৪ আগষ্ট) এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, এই ভাইরাসকে আমরা অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আমরা মাঙ্কিপক্সকে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে নেয়ার জন্য এবং এই ভাইরাস মোকাবেলায় দায়িত্ব নেয়ার ক্ষেত্রের সাহায্য করতে প্রতিটি মার্কিন নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

আমেরিকায় এ পর্যন্ত যত রোগী সনাক্ত করা হয়েছে তার প্রায় এক-চতুর্থাংশ নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে। সেখানে গত সপ্তাহে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। এরপরেই রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া এবং ইলিনয় অঙ্গরাজ্য। এ দুই অঙ্গরাজ্যে সোমবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়েই এই ভাইরাসকে যদি নির্মূল করতে হয় তাহলে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এদিকে, মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত রোগীর যে সংখ্যা বলা হয়েছে, বাস্তব সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত মে মাসে বৈশ্বিক পর্যায়ে এই রোগের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ে। গত মাসের প্রথম দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কিপক্সের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। সারাবিশ্বে এ পর্যন্ত ২৬ হাজার ২০০ ব্যক্তিকে মাঙ্কিপক্সের রোগী বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

বিভিন্ন গবেষণায় বলা হচ্ছে, মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শতকরা ৯৫ ভাগের বেশি সমকামী। এক পুরুষের সাথে অন্য পুরুষের যৌন সম্পর্কের কারণে এই ভাইরাস ছড়াচ্ছে বলে গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে।