ইউক্রেন যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধানের পথ নিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আলোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভে তারা পৃথকভাবে বৈঠকে মিলিত হন।
বুধবার ইউক্রেনে পৌঁছান গুতেরেস। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর এটা তাঁর দ্বিতীয় সফর। আর যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো ইউক্রেন সফর করেন এরদোয়ান।
গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠকের পর জেলেনস্কি বলেন, জাতিসংঘকে অবশ্যই জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এরদোয়ান বলেন, তিনি ইউক্রেনের পাশে থাকবেন। জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরেকটি চেরনোবিল ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
খাদ্যশস্য চুক্তির আওতায় চলমান
সাফল্য ধরে রাখতে রাশিয়া ও ইউক্রেনকে আপসের মনোভাব প্রদর্শনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন গুতেরেস।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের কারণে বিশ্বব্যাপী নিত্যপণ্যের সরবরাহ বন্ধ ছিল। গত মাসে এ নিয়ে একটি চুক্তি হওয়ার পর ইউক্রেন থেকে খাদ্যশস্যের রপ্তানি ফের শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৫তম শস্য জাহাজটি বন্দর ছেড়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।
এদিকে, ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের একটি ভবনে রুশ বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ছয়জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। বুধবার রাতে রুশ বাহিনীর হামলায় ওই ফ্ল্যাটের একটি অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে উল্লেখ করেন জেলেনস্কি।
অন্যদিকে, জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চলতে থাকলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। যদিও হামলার অভিযোগ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে কিয়েভ।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে ফিনল্যান্ড। খবর এএফপি, সিএনএন ও দ্য গার্ডিয়ানের।