ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বলেছে, মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সু চির সর্বশেষ সাজাও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভুয়া। সংলাপ থেকে তাঁকে দূরে রাখতেই সামরিক জান্তা এ দণ্ডের ব্যবস্থা করেছে।

মিয়ানমারের একটি আদালত বৃহস্পতিবার সু চি ও তাঁর কয়েক সহযোগীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন। সু চির হয়েছে তিন বছরের কারাদণ্ড।

রায়ের পর বিবৃতিতে ইইউর পররাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র নাবিলা মাসরালি বলেছেন, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘনের মামলায় সু চির কারাদণ্ড জাতীয় সংলাপ প্রক্রিয়া থেকে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেতাদের বাদ দেওয়ার একটি স্পষ্ট প্রচেষ্টা।

তিনি বলেন, আসিয়ানের কাঠামোর মধ্য থেকে সু চিকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং তাঁর দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি, জাতীয় ঐক্য সরকার, নাগরিক সমাজকে নিয়ে প্রকৃত সংলাপই বর্তমান সংকট থেকে পরিত্রাণের একমাত্র পথ।

ইইউ সব রাজনৈতিক বন্দির অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত মুক্তি চায়। বিবৃতিতে বলা হয়, সু চির ইতোমধ্যেই ২৩ বছরের সাজা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আরও বহু ভুয়া মামলা করা হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাসিস্ট্যান্স অব পলিটিক্যাল প্রিজনারস (এএপিপি) প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিত সেনা অভ্যুত্থানের পর এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩২৪ জন নিহত এবং সাড়ে ১৫ হাজার লোককে বন্দি করা হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ১২১ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।