যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেতা হওয়ার দৌড়ে সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। সুনাক জানিয়েছেন, তিনি দেশের 'অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা' ফিরিয়ে আনতে চান। মনোনয়নের সময় শেষের আগেই ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের সমর্থনের দিক দিয়ে সুনাক ইতোমধ্যে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন। আজ সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার মধ্যে মনোনয়নের সময় শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

টোরি পার্টির পক্ষ থেকে ঘোষণা এসেছে, আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে নতুন নেতা নির্বাচন করা হবে। এদিকে কনজারভেটিভ পার্টির দুই নেতা বরিস জনসন ও ঋষি সুনাক শনিবার স্থানীয় সময় রাতে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে জনসন সুনাককে প্রধানমন্ত্রীর পদে না লড়ার কথা বলেছেন বলে জানা গেছে। তবে ভিন্নমত রয়েছে অনেক পত্রিকার।

ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ১৩০ জন এমপি যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুনাককে চান বলে প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন। সম্ভাব্য অন্য প্রার্থীদের মধ্যে শুধু ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের নেতা পেনি মর্ডান্ট নিজের প্রার্থিতার কথা নিশ্চিত করেছেন

বেঁধে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, সোমবার দুপুরের মধ্যে একজন সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীর প্রতি অন্তত ১০০ জন টোরি এমপি সমর্থন জানালে তিনি প্রার্থিতার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। হাউস অব কমন্সে টোরি দলের এমপি সংখ্যা ৩৫৭ জন হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মাত্র তিনজন এ বাধা পেরোতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে। শেষ খবর পর্যন্ত বরিস জনসনের প্রতি ৫৫ জন এমপি ও পেনি মর্ডান্ট ২৩ জনের সমর্থন পেয়েছেন। বিরোধী লেবার দলীয় নেতা স্যার কিয়ার স্টারমার ফের সাধারণ নির্বাচন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক তাদের চলতি বিশৃঙ্খলাকেই গ্রহণ করতে হবে।

এদিকে বরিস জনসন ও ঋষি সুনাকের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে, তা জানা যায়নি। বিভিন্ন পত্রিকা এ নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছে। 'দ্য সান' পত্রিকা এই বৈঠককে গোপন বলে উল্লেখ করেছে। দু'জন রাত ৮ থেকে ১০ টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টা বৈঠক করেছেন বলে জানিয়েছে, 'দ্য সানডে টাইমস'। খবর সিএনএন ও দ্য গার্ডিয়ানের।