ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। রোববার স্থানীয় সময় রাতে এক বিবৃতি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। বরিস জনসন সরে দাঁড়ানোতে ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির আরেক নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাকের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেল।

বিবৃতিতে বরিস জনসন বলেন, পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা তাঁকে সমর্থন করা শর্তেও তিনি সরে দাঁড়ালেন। আপাতত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকা ঠিক হবে না বলে মনে করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ পার্টির আইনপ্রণেতারা যদি একতাবদ্ধ না হন তবে কার্যকরভাবে সরকার পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

বরিস জানিয়েছেন, পার্লামেন্টে ১০২ জন আইনপ্রণেতা তাঁকে সমর্থন করছিলেন। বরিসকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছেন এমন আইনপ্রণেতার সংখ্যা আসলে ৫৭ জন বলে জানিয়েছে বিবিসি। 

এর মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির আরেক নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাকের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেল।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন ঋষি সুনাক। ১৩৬ জন আইনপ্রণেতা তাঁকে সমর্থন করছেন। এ ছাড়া যাঁরা বরিসকে সমর্থন করছিলেন তাঁদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন এখন ঋষি সুনাককে সমর্থন করার ঘোষণা দিয়েছেন। 

ঋষি সুনাক ছাড়াও এই লড়াইয়ে রয়েছেন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেনি মরডান্ট। তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন ২৩ আইনপ্রণেতা।

কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষ থেকে ঘোষণা এসেছে, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে নতুন নেতা নির্বাচিত করা হবে। পার্টির এই নেতাই মূলত প্রধানমন্ত্রী হবেন। বর্তমান পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীনদের আইনপ্রণেতা রয়েছেন ৩৫৭ জন। তাঁরা নতুন দলনেতা নির্বাচিত করবেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে নাম লেখানোর জন্য একজন প্রার্থীর পক্ষে অন্তত ১০০ আইনপ্রণেতার সমর্থন প্রয়োজন।