দক্ষিণ কোরিয়া বলছে, উত্তর কোরিয়া একটি দূরপাল্লার আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ছুড়েছে। বুধবার একদিনেই সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র পিয়ংইয়ংয়ের দিক থেকে ছোঁড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চীফ অফ স্টাফ বা জেসিএস। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের অন্তত একটি দক্ষিণ কোরিয়ার জলসীমার কাছে ভূমিতে গিয়ে পড়েছে। জবাবে সিউল পাল্টা তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা বলেছেন, এর মধ্যে অন্তত একটি ছিল আন্ত:মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল অর্থাৎ আইসিবিএম।

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া ইতিহাসের সবচেয়ে বড় যৌথ বিমান মহড়ার পর উত্তর কোরিয়ার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনা ঘটল। পিয়ংইয়ং ওই মহড়ার তীব্র সমালোচনা করে বলেছিল এটি ‘আক্রমণাত্মক ও উস্কানিমূলক।’ বৃহস্পতিবার ভোরে সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর জাপান সরকার দেশটির উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় নজিরবিহীন সতর্কতা জারি করে ও লোকজনকে ঘরেই অবস্থানের পরামর্শ দেয়।

টোকিও প্রাথমিকভাবে বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্র জাপানের ওপর দিয়ে চলে গেছে। কিন্তু দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পরে বলেছেন, এটি জাপান অতিক্রম করেনি তবে জাপান সাগরের ওপর এসে অদৃশ্য হয়ে গেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হুয়ান ডং ও যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্ডি শেরম্যান ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনাকে ‘অনৈতিক’ উল্লেখ করেন।

ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পিয়ংইয়ং ২০০৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ছয়টি পরমাণু পরীক্ষা চালিয়েছে এবং এখন তার সপ্তম পরীক্ষার পরিকল্পনা করছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি