দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ৩২৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এতে শনাক্তের হার কিছুটা বেড়ে ১ দশমিক ০৫ শতাংশ হয়েছে। এ নিয়ে টানা তিন সপ্তাহ করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচেই রয়েছে।

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার নামে ৫ শতাংশের নিচে। সেদিন নতুন রোগী শনাক্তের হার ছিল তিন দশমিক ৬০ শতাংশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশে নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার যদি দুই সপ্তাহ পাঁচ শনাক্তের নিচে থাকে, তাহলে দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। সেই হিসেবে দেশে করোনার পঞ্চম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলা যায়। নতুন কোনো ঢেউ বা ভ্যারিয়েন্ট না আসলে আর উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত একদিনে মৃত্যু হয়েছে একজনের। মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩০ জন। নতুন রোগী নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২০ লাখ ৩৬ হাজার ২৬৮ জন হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ জন কোভিড রোগীর সেরে ওঠার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ১২৪ জন।

গত একদিনে শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ২৬ জন ঢাকার বাসিন্দা। একজন ময়মনসিংহ বিভাগের, ছয়জন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুইজন রাজশাহীর। দেশের ৫৯ জেলায় এ সময় কোনো নতুন রোগী শনাক্ত হয়নি। খুলনা, বরিশাল, রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে মেলেনি নতুন রোগী।

দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। সেদিন তিন জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দু’দিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।