ঢাকা বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার শুরু ১০ মার্চ

দুই মাসের মধ্যে সব সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত

মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার শুরু ১০ মার্চ

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ২০:১৬

মালদ্বীপের বেঁধে দেওয়া সময়েই সেনা ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে ভারত। আগামী ১০ মার্চের মধ্যে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। শেষ হবে দুই মাসে। অর্থাৎ আগামী ১০ মের মধ্যে মালদ্বীপ থেকে ৮৯ জনের পুরো বাহিনী কয়েক দফায় ফিরিয়ে নেবে ভারত। শুক্রবার রাতে নয়াদিল্লিতে দু’পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। আলোচনার পর মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানালেও শনিবার পর্যন্ত ভারত এ ব্যাপারে পরিষ্কারভাবে কিছুই জানায়নি। খবর ব্লুমবার্গ ও আনাদুলু এজেন্সির।

এর আগে গত জানুয়ারির মাঝামাঝি মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু নিজ দেশ থেকে সেনাসদস্য ও সামরিক কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারে ভারতকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবার মুইজ্জুর চীন সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে দেশে ফিরেই সেনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। মুইজ্জু চীনপন্থি বলে পরিচিত।

মালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানায়, রাজধানী নয়াদিল্লিতে দু’পক্ষের আলোচনায় ভারত সম্মত হয়েছে, আগামী ১০ মার্চের মধ্যে ৮৯ জন কর্মীকে প্রত্যাহার করা শুরু করবে এবং দুই মাসের মধ্যে প্রক্রিয়াটি শেষ করবে।

ভারত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্র মালদ্বীপকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে নয়াদিল্লি। কারণ, মহাসাগরটি বৈশ্বিক জাহাজ চলাচলের পথগুলোর মধ্য অন্যতম। একই সঙ্গে চীনের বিপরীতে নিজের প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্র বলেও মনে করে ভারত। 

কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েই মুইজ্জুর মালদ্বীপ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে। 

মালদ্বীপে ভারতীয় এসব সেনাদের মোতায়েনের উদ্দেশ্য ছিল– দেশটির দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য দিল্লির দেওয়া অনুদানের তিনটি মেরিটাইম রিকনাইস্যান্স বিমান, দুটি হেলিকপ্টার এবং একটি ফিক্সড-উইং প্লেন পরিচালনা করা। 

নয়াদিল্লির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘মালদ্বীপের জনগণকে মানবিক ও মেডেভাক পরিষেবায় নিযুক্ত ভারতীয় বিমান চালনা প্ল্যাটফর্মগুলোর কাজকে আরও কার্যকরে ঐকমত্য হয়েছে দুই দেশ।’

তবে, মালদ্বীপের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, বিমানটি সেখানে থাকবে। সেটি পরিচালনায় নিয়োগ দেওয়া হবে বেসামরিক ভারতীয় কর্মীদের। 


 

আরও পড়ুন

×