ঢাকা বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

পাকিস্তানে সংসদ নির্বাচন

জেলে বসে যেভাবে জিততে চান ইমরান

জেলে বসে যেভাবে জিততে চান ইমরান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ০৪:৫৮ | আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ০৫:০৬

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কারাগারে। তাঁর দল পিটিআই নাটকীয়ভাবে রাজনৈতিক নানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তবে দলটি বলছে, তাদের প্রতিষ্ঠাতা নেতার কারান্তরীণ থাকা এবং রাজনৈতিক কার্যালয় পরিচালনা করতে না দেওয়া সত্ত্বেও এ সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা জয়ে আশাবাদী। ইমরান খানের গ্রেপ্তার ও মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করে তারা। রোববার বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে দলটি কর্তৃপক্ষের ধড়পাকড় এড়াতে চাচ্ছে। নির্বাচনে অনেক নতুন প্রার্থী লড়ছেন। এ রকমই একজন রেহানা দার। স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন তিনি। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের শিয়ালকোটের রাস্তায় তাঁকে ইমরান খানের ছবিসংবলিত পোস্টার নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে দেখা যায়। ড্রামের শব্দের কারণে তাঁর মিছিলের সামনের পথ খালি হয়ে যাচ্ছে; ওপর থেকে পড়ছে ফুলের পাপড়ি। 

আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি উচ্চৈঃ স্বরে বলেন, ‘শিয়ালকোট শহরের ভাইবোন, কন্যাদের ধন্যবাদ জানাই পাশে দাঁড়ানোর জন্য। আমি ইমরান খানের সঙ্গে আছি, থাকব। আমাকে যদি সবাই ছেড়ে চলে যায়, তবুও ইমরানের পতাকা হাতে রাস্তায় নামবো।’

রেহানা দার পিটিআইয়ের প্রার্থী নন। দলটির অন্য প্রার্থীদের মতো তিনিও কৌশলে স্বতন্ত্র নাম নিয়ে ভোটে লড়ছেন। তা ছাড়া পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনও পিটিআইয়ের ক্রিকেট ব্যাট প্রতীক কেড়ে নিয়েছে। এটা সামান্য সিদ্ধান্ত হলেও ৫৯ শতাংশ নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর দেশের অনেক কিছু। তারা ব্যালট পেপারে ক্রিকেট ব্যাটই খুঁজবেন। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

সবাই রেহানা দারের মতো নন। অনেকে জেলের ভেতর থেকেও নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। অনেকে গ্রেপ্তারের ভয়ে আত্মগোপনে আছেন। সেখান থেকে চলছে তাদের প্রচারণা। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মন্ত্রী আতিফ খান ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। শহরের মোড়ে মোড়ে তিন মিটার পর্দায় ভেসে উঠছে তাঁর মুখ। পিটিআই সমর্থকরা জড়ো হয়ে সেসব শুনছেন। এ ছাড়া তাঁর কোনো বিকল্প নেই। কারণ, গত মে মাস থেকেই তিনি আত্মগোপনে। পুলিশ বলছে, তাঁকে ধরিয়ে দিন। আতিফ মনে করেন, গ্রেপ্তার হলে তিনি উপযুক্ত বিচার পাবেন না। বিবিসিকে তিনি বলেন, এভাবে প্রচারণা এক নতুন অভিজ্ঞতা।

আরও পড়ুন

×