সাক্ষাৎকার

সাক্ষাৎকারে কাদের সিদ্দিকী

৭ দফার একটি না মানলেও বিজয় ঐক্যফ্রন্টেরই

 প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৮      

 শাহেদ চৌধুরী

ফাইল ছবি

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেওয়া কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তমের স্পষ্ট উচ্চারণ- সংলাপ ব্যর্থ হবে না। তিনি গতকাল সোমবার সমকালকে দেওয়া তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সরকার সাত দফার একটি না মানলেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিজয় হবে।

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগদানের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশবাসীর  মতো তারও প্রত্যাশা- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শতভাগ অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। আর সেখানে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্যই তিনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, দেশে সুস্থিতি ও শান্তি চাই। সম্মানী লোকের সম্মান চাই। ছোটদের প্রতি মায়া চাই। মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই। আমার ভোট আমি দিতে চাই। যাকে পছন্দ তাকে দিতে চাই। ভোটে আমার ইচ্ছার প্রতিফলন চাই।

বর্ষীয়ান রাজনীতিক কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম কয়েক দিন আগে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগে যোগদানের জন্য তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তাহলে কেন আওয়ামী লীগে যোগ দিলেন না- এর জবাবে তিনি বলেন, এখন ওটা আর না বলাই ভালো। এই গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার ভাষায়, আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ১৯টি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। তিনি কোনো গণক নন। তবে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এমনটা মনে করেন। তার মতে, রাজনীতিই এখন মারাত্মক সংকটে পড়েছে। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দেশের অবস্থাও ভালো নয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গত ১০ বছরে মানুষকে কোনো গুরুত্ব দেয়নি। ভোটারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও সরকারের আচরণে কখনও বোঝা যায়নি। আসলে আজকের আওয়ামী লীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়। আজকের আওয়ামী লীগ মতিয়া চৌধুরী, হাসানুল হক ইনু ও শাজাহান খানের। এই শাজাহান খানের লোকেরা দেশের মুখে চুনকালি মেখেছে।

নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংকট নিরসনে চলমান সংলাপ সফল হবে বলে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন কাদের সিদ্দিকী। তার ভাষায়, কখনই কোনো সংলাপ ব্যর্থ হয়নি। ইনশাআল্লাহ চলমান সংলাপও ব্যর্থ হবে না। একই সঙ্গে সরকার সাত দফার একটি না মানলেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিজয় হবে। তিনি বলেন, 'আমি রাস্তার মানুষ। তাই আমাদের সঙ্গে কথা হয় না। আলোচনার জন্য রাজধানীর মতিঝিলে রাস্তায় বসেছিলাম। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী আলোচনাকে মূল্যহীন মনে করেছিলেন।

অবশ্য রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই বলে মনে করছেন খ্যাতিমান এই মুক্তিযোদ্ধা। তার মূল্যায়ন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনও সংলাপ করতে চাননি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর রক্ত তার শরীরে আছে বলেই তিনি এমন দুঃসাহসিক কাজ করতে পেরেছেন। শেখ হাসিনা না হয়ে অন্য কেউ হলে এই সংলাপের সাহস করতেন না। দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি চান কি-না, জানতে চাইলে সাবেক এই এমপি বলেছেন, তিনি রাজনীতি করেন। তাই সব রাজবন্দির মুক্তি চান।

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, জনতার সফলতাকে কেউ ব্যর্থ করতে পারে না। সেই জনতা ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে থাকলে প্রধানমন্ত্রী হারবেন। আর সেই জনতাকে সঙ্গে রাখতে পারলে প্রধানমন্ত্রী জিতবেন। অবশ্য সেই জনতা এখন ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে রয়েছেন বলে মনে করছেন তিনি। তার সোজাসাপ্টা কথা, সুস্থ রাজনীতির পাশাপাশি দেশে শান্তি, সমৃদ্ধি, মানুষের সম্মান ও স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নিশ্চিত করতেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তোলা হয়েছে।



নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে সকল রাজনৈতিক দলের দায়বদ্ধতা আছে

 অনলাইন ডেস্ক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অল্প কিছুদিন বাকি। সব রাজনৈতিক দলই ...

০৫ ডিসেম্বর ২০১৮

বাংলা ভাষাকে ধারণ করে রেখেছে বাংলাদেশ: গর্গ চট্টোপাধ্যায়

 অনলাইন ডেস্ক

গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ইন্ডিয়ান স্টাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং ভাষা অধিকার আন্দোলনের ...

১২ নভেম্বর ২০১৮

এক দল সংসদে থেকে নির্বাচন করলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হবে না

 আবু সালেহ রনি

সংবিধান সংবিধান না করেই সুষ্ঠু ও সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য ...

০৬ নভেম্বর ২০১৮

ভাঙন রোধে নদীর গতিপথ বুঝতে হবে: ড. মমিনুল হক

 অনলাইন ডেস্ক

নদীমাতৃক বাংলাদেশে 'নদী ভাঙন' একটি বাস্তবতা। প্রতি বছর হাজার হাজার ...

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮