ঢাকা বুধবার, ২২ মে ২০২৪

স্মৃতিকথা নিয়ে ব্রিটনি স্পিয়ার্স

স্মৃতিকথা নিয়ে ব্রিটনি স্পিয়ার্স

ব্রিটনি স্পিয়ার্স

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৩ | ১৭:০৮ | আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৩ | ২৩:০৮

চার দশক পেরোনো জীবনে নাটকীয় ঘটনার যেন শেষ নেই। মার্কিন পপ শিল্পী ব্রিটনি স্পিয়ার্স নিজের সেই জীবনের অনেক স্মৃতি দুই মলাটে বন্দি করেছেন। ‘দ্য উইমেন ইন মি’ শিরোনামে সেই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি প্রকাশিত হলো গত ২৪ অক্টোবর। সেখানে নিজের শিল্পীজীবনের গল্পের সঙ্গে ব্রিটনি স্বাধীনতা, খ্যাতি, মাতৃত্ব, টিকে থাকা, আশা আর বিশ্বাসের কথাও তুলে ধরেছেন।
প্রকাশনা সংস্থা গ্যালারি বুকসের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, সংগীত আর প্রেমের যে শক্তি, সেই আলোই ছড়াবে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের স্মৃতিকথা। একজন নারী তাঁর গল্প নিজের মতো করে বলতে পারার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে লেখনীর মাধ্যমে। এ গ্রন্থে ব্রিটনি তাঁর বাবা জেমি স্পিয়ার্সের খবরদারি, সেই সময়ে তাঁর যন্ত্রণা এবং তা থেকে মুক্ত হওয়ার ঘটনা বিশদভাবে লিখেছেন।
স্মৃতিকথায় এমন এক বেদনার কথা তুলে ধরেছেন স্পিয়ার্স, যা আজও তাঁকে কষ্ট দেয়। দুই দশক আগে সংগীতশিল্পী জাস্টিন টিম্বারলেকের সঙ্গে প্রেমের সময়টায় সন্তানসম্ভবা ছিলেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। কিন্তু সেই সন্তান পৃথিবীতে আসেনি। পিপল ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি প্রথম গর্ভপাতের সিদ্ধান্তটি আমার জীবনে সবচেয়ে বেদনাদায়ক ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি। আমি জাস্টিনকে অনেক ভালোবাসতাম। আমি সব সময় আশা করেছি, আমরা একসঙ্গে থাকব, আমাদের একটি পরিবার হবে। এটি আমার প্রত্যাশার চেয়ে অনেক আগে হয়ে গিয়েছিল। জাস্টিন আমার গর্ভধারণ নিয়ে খুশি ছিল না। সে বলেছিল, আমরা তখনও সন্তান নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা খুব ছোট ছিলাম।’ মাত্র ১৬ বছর বয়সে ‘বেবি ওয়ান মোর টাইম’ গান দিয়ে সুপারস্টার খ্যাতি পেয়ে যান ব্রিটনি স্পিয়ার্স। এরপর ‘টক্সিক’, ‘ওম্যানাইজার অ্যান্ড উফস’ ও ‘আই ডিড ইট অ্যাগেইন’-এর মতো সুপারহিট গান গেয়েছেন এই তারকা। ২০১৪ সালে বাল্যবন্ধু জেসন আলেক্সান্ডারকে বিয়ে করেছিলেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। পরে তারা আলাদা হয়ে যান। এরপর র‍্যাপার কেভিন ফেডারলিনের সঙ্গে সংসার শুরু করেন। ২০০৭ সালে সেই সম্পর্কেরও ইতি ঘটে। ওই সংসারে দুই সন্তান রয়েছে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের।
ব্রিটনির দ্বিতীয় বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর একের পর এক কাণ্ডে তাঁর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষাপটে ২০০৮ সালে আদালতের এক আদেশে মেয়ের বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার পেয়েছিলেন জেমি স্পিয়ার্স। তখন ব্রিটনির বয়স ছিল ২৬ বছর। বাবার সেই ‘খবরদারিতে’ হাঁপিয়ে উঠেছিলেন ব্রিটনি। এক পর্যায়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। আদালতের আদেশে মেয়ের ওপর থেকে কর্তৃত্ব হারান জেমি স্পিয়ার্স। ব্রিটনি ফিরে পান নিজের অর্থ, কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা। ছয় বছর পর গত বছর অক্টোবরে প্রকাশিত হয় এই পপ তারকার নতুন গান ‘হোল্ড মি ক্লোজার’। u

আরও পড়ুন

×