তোমার জীবনের সমস্ত বিষয় যদি
কবিতার উপজীব্য করি
আমার সামান্য জীবনে
যেটুকু কালির সঞ্চয়
তা দিয়ে দীর্ঘসূত্র কাহিনির সমাপ্তি হবে না- আর পৃথিবীতে সময় দুর্মূল্য
কত তুমি তো জানোই

সেই বৃদ্ধ মায়ের কথা ভাবো
তিনি সময়কে অতিক্রম করেছেন
অনেক আগেই
সারাদিন প্রার্থনার পাটিতে তোমার
কল্যাণ ছাড়া কিছুই চান না
এতদূর নগরের অবাক পাথরে
তার আত্মার আগুন কোনোদিন ধ্বনিত হবে না
তবু সে বিলাপ শুনে কেঁদে ওঠে
ঝাড়বাতি রেস্তোরাঁ নগরভবন
হয়তো তুমিও কাঁদো তোমার গোপনে
আর তোমার স্বার্থপর বন্ধু আমি
জানি না কী করে ক্ষুদ্র কবিতার হাতে
তুলে দেব বিশাল জীবন

আমাদের গলায় আত্মহত্যার দড়ি
টানটান বাঁধা
মাথার ওপর ঘন হচ্ছে আণবিক মেঘ
মৃত্যুর ঢেউ এসে কেড়ে নিচ্ছে গ্রাম
যদি পারো এসে দেখো
এশিয়ার সবক'টি ঘরে সন্ত্রাস নিত্যপণ্য
জীবনের এসব টুকরো টুকরো ছবি
কবিতার কঠিন কোলাজ
ভালোবাসি বলে হৃদয়ের ক্ষতে ছিটাব না নুনের চিৎকার
তবু সত্যের শাসন অমান্য করতে গিয়ে হাত কাঁপছে-ঠোঁট

মন্তব্য করুন