চৈত্রের তীব্র রোদ ঝলসিত দিনগুলো প্রকৃতির প্রচণ্ড রূপের সাক্ষীই কেবল নয়; এর রং ও গন্ধে আছে গভীর তীক্ষষ্ট স্পর্শ-অনুভূতি। বসন্ত শেষের এই জলশুস্ক-রৌদ্রদগ্ধতার ভেতর যেন জীবনের ভিন্নতর ব্যঞ্জনার উদ্ভাস থাকে। কবির মননে চৈত্রদিনের প্রখরতা নিয়ে আসে আশা-বেদনার বিচিত্র দোলাচল। এই চৈত্রে মহামারি করোনার বিস্তারও কবিচিত্তে বিষাদ ও অনিশ্চয়তার মেঘ জড়ো করে। সবমিলিয়ে বাস্তবতা আর চিত্রকল্পের বিবিধ অনুরণন ধরা দেয় চৈত্রে রচিত পঙ্‌ক্তিমালায়। কয়েক প্রজন্মের কবির চৈত্রে লেখা পদ্য।
সূচিপত্র
ধারাবাহিক: বাংলাদেশের একাত্তর
২৫ মার্চ রাতে পালপাড়া আর পাকিস্তান গেল কই?
আফসান চৌধুরী -৫-৭
প্রচ্ছদ: চৈত্রে লেখা পদ্য
হাবীবুল্লাহ সিরাজী
আবিদ আনোয়ার
শিহাব সরকার
সৈয়দ আল ফারুক
রেজাউদ্দিন স্টালিন
সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
আলফ্রেড খোকন
ওবায়েদ আকাশ
আহমদ জামাল জাফরী
আফরোজা সোমা
ইকতিজা আহসান
তুষার কবির
জহির খান
হাসান হাবিব
মহিম সন্ন্যাসী
জাহিদ সোহাগ
অরবিন্দ চক্রবর্তী
দেব জ্যোতি ভক্ত
হাসনাইন হীরা
আদ্যনাথ ঘোষ
ইমতিয়াজ হাসান শাহরিয়ার
নুসরাত নুসিন
আদিত্য আনাম
গল্প
ইলিশ
মাজহারুল ইসলাম -১৬-১৯
গুচ্ছ গুচ্ছ বই -২০-২৩
নিবন্ধ
স্থাপত্য: স্বাধীনতা-উত্তর
পঞ্চাশ বছর
শামীম আমিনুর রহমান -২৬-২৯
পাঠকের কুইজ -৩১

মন্তব্য করুন