পর্ব-৮
[পূর্বে প্রকাশিতের পর]
ক্ষমতার রাজনীতিই ছিল মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর কাছে প্রধান। সত্য-মিথ্যা মিলিয়ে তিনি এই ক্ষমতার রাজনীতিটাই করতে চেয়েছেন সব সময়। তিনি ছিলেন ভারতের উপরতলার মানুষ, তার রাজনীতিটাও ছিল উপরতলাকেন্দ্রিক- সাধারণ মানুষদের জন্য নয়। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ১৯৪০ সালে একাধিক স্বাধীন পাকিস্তানের যে প্রস্তাব ছিল, '৪৬-এ সেটাকে পাল্টাতে হয়েছে; এবং ১৯৪০ সালের স্বাধীনতার প্রস্তাবের পর থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত বঙ্গের মানুষেরা যেসব আয়োজন-সমাবেশের মাধ্যমে স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানের কথা বলেছে- জিন্নাহ ছেচল্লিশের আগে একবারও এটাকে ভুল বলেননি বা অস্বীকার করেননি। অথচ তিনি ১৯৪৬ সালের সম্মেলনে হঠাৎ করেই এটাকে ভুল বলে সম্বোধন করলেন। সত্যি সত্যি এটা ভুল হয়ে থাকলে জিন্নাহ তো আগেই বলে দিতেন। '৪৬ সালের আগে কোথাও জিন্নাহর সে কথা পাওয়া যাবে না। ১৯৪০ সালের পাকিস্তান প্রস্তাবকে জিন্নাহ নানাভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন।
জিন্নাহর রাজনীতিটা নেহরুকে বাদ দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়। জিন্নাহ নেহরু কেউই ধার্মিক ছিলেন না; এবং তারা কেউ ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর রাজনীতিও করেননি। তাদের দ্বন্দ্বটা ছিল এলিট হিসেবে নিজেদের ভেতরকার দ্বন্দ্ব। জিন্নাহ যে জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করতেন, সেটা ছিল ক্ষমতাচ্যুত এলিট মুসলমান শ্রেণি। আর নেহরু প্রতিনিধিত্ব করেছেন ক্ষমতায় থাকা হিন্দু এলিট শ্রেণির। নেহরু তাদের ক্ষমতাকে আরও সম্প্রসারিত করার জন্যই রাজনীতি করতেন। উভয়ের রাজনীতির সূত্র ছিল উপনিবেশবাদের সাথে সমঝোতা। তাদের রাজনীতির মূল বিষয় ছিল কে কোন এলিট শ্রেণির ক্ষমতার ভাগ নেবেন। যেহেতু কংগ্রেস হচ্ছে ভারতীয় হিন্দু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি- জিন্নাহর পক্ষে সেই জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ কাকতালীয়ভাবে তিনি ছিলেন মুসলমান। তাদের কারও সঙ্গেই সাধারণ মানুষের রাজনীতির আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছা কিছুই ছিল না।
জিন্নাহ যখন দেখলেন, যে এলিট শ্রেণির তিনি প্রতিনিধিত্ব করছেন, তারা শাসনক্ষমতায় আসতে পারবে না- তখনই মূলত জিন্নাহর রাজনৈতিক ভূমিকাটা বড় হয়ে উঠল। দ্বিতীয়ত, জিন্নাহ নিজেকে পরাজিত ভেবেই রাজনীতি থেকে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু, উত্তর ভারতের এই ক্ষমতার রাজনীতির দ্বন্দ্ব বাংলার রাজনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে গেল- জিন্নাহ এক বিখ্যাত বক্তৃতা দিলেন। যেটাকে পাকিস্তানিরা এবং আমাদের অনেক বাংলাদেশিও অনেক বড়, মহান কিছু মনে করেন। কিন্তু, জিন্নাহর ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্টের সেই বক্তৃতাটিকে আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করি এ কারণে যে, পাকিস্তানিরা বাঙালিদের এবং প্রকারান্তরে বাংলাদেশিদের কী মনে করত বা কী চোখে দেখত তা এই বক্তৃতাটির মাধ্যমে বোঝা যায়। বক্তৃতাটিতে সারা পৃথিবীর এবং ভারত-পাকিস্তানের মানুষদের সম্পর্কে বলতে গিয়ে এক জায়গায় জিন্নাহ বলছেন- ধর্মভিত্তিক এই বিভাজনগুলো সঠিক নয়। ভারত বিভাজন প্রসঙ্গে বলেন- এই বিভাজনটি ভালো কি মন্দ তা ইতিহাসই বলে দেবে। বস্তুতপক্ষে কী হয়েছে? ইতিহাস ঠিকই প্রমাণ করে দিয়েছে কোনটা ঠিক আর কোনটা ঠিক না। কিন্তু এসবের চেয়ে এখানে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, জিন্নাহ বলছেন-

'I cannot emphasize it too much. We should begin to work in that spirit and in course of time all these angularities of the majority and minority communities, the Hindu community and the Muslim community, because even as regards Muslims you have Pathans, Punjabis, Shias, Sunnis and so on, and among the Hindus you have Brahmins, Vashnavas, Khatris, also Bengalis, Madrasis and so on, will vanish.'

এখানে এই যে, 'because even as regards Muslims you have Pathans, Punjabis, Shias, Sunnis and so on' তার মানে জিন্নাহর চোখে মুসলমানদের মধ্যে বিভিন্ন অংশ আছে- তার মধ্যে পাঞ্জাবি, শিয়া, সুন্নি ইত্যাদি আছে। আর 'and among the Hindus you have Brahmins, Vashnavas, Khatris, also Bengalis, Madrasis and so on'- এর মানে জিন্নাহর চোখে বাঙালি হচ্ছে হিন্দু। এই ভাবনাটা খুবই গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করবার দাবি রাখে। এটা একাত্তরে আমরা বারবার দেখতে পাই। আমি নিজে যখন পাকিস্তানে গিয়েছি, তখনও বারবার একই কথা শুনেছি- বাঙালি হচ্ছে হিন্দু। পাকিস্তানিদের এই যে জাতিগত বোধ- এটা ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর বোধ। এই বোধটা জিন্নাহর মাথায়ও লেখাপড়া করে আসেনি, এটা স্বভাবজাতভাবে এসেছে।
বাঙালি মানে তো হিন্দু- আর হিন্দুরা তো পাকিস্তানের অংশ হতে পারে না! তাহলে কী করে জিন্নাহ দুটোকে একত্রিত করবে?
একত্রিত হয়নি। কখনও একত্রিত ছিলও না।
উত্তর ভারতের সকল হিন্দুর কাছেও বাংলার হিন্দুরা প্রকৃত হিন্দু নয়। নিরোদ সি. চৌধুরীর 'হিন্দুইজম' বইটিতেও এ বিষয়টি বিশদভাবে বর্ণিত আছে। এ প্রসঙ্গে আরেকটি কথা লক্ষ্য করার মতো, তা হলো রাজপুতরা বাঙালিদের সবচেয়ে বেশি নিগ্রহ করে; এবং মোগলরা কিন্তু বাংলার হিন্দু সম্পর্কে জেনেছে বাঙালি হিন্দুদের প্রতি এই রাজপুতদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। বাঙালিদের তারা সব সময়ই নিচু জাতের মানুষ মনে করত, ঘৃণা করত। রাজপুতরা এই বাঙালিবিদ্বেষকে প্রজন্মান্তরে বহন করে নিয়ে এসেছে; এবং আমাদের দেশে বাঙালিবিদ্বেষের জায়গা থেকে সবচেয়ে যে জঘন্য ব্যক্তি রাও ফরমান আলী- সে ছিল একজন পাকিস্তানি রাজপুত। বাঙালিদের ছোট চোখে দেখাটা- যুগে যুগে যারা বাংলা দখল করেছে তাদের সবারই স্বভাবগত ব্যাপার। জিন্নাহও এর বাইরে ছিলেন না।
১১ আগস্টের সেই বক্তৃতায় এর পরেই আরেক জায়গায় জিন্নাহ বলছেন,  'You are free; you are free to go to your temples, you are free to go to your mosques or to any other place or worship in this State of Pakistan. You may belong to any religion or caste or creed that has nothing to do with the business of the State. ... Now I think we should keep that in front of us as our ideal and you will find that in course of time Hindus would cease to be Hindus and Muslims would cease to be Muslims, not in the religious sense, because that is the personal faith of each individual, but in the political sense as citizens of the State.'-কথা তো খুব ভালো, মানে হিন্দু-মুসলমান বিভাজনটা আর থাকবে না।


প্রথমত, বাঙালিরা হিন্দু, এটা জিন্নাহর মনে প্রতিষ্ঠিত। দ্বিতীয়ত, হিন্দু-মুসলমান থাকবে না রাষ্ট্রে। অর্থাৎ, আমরা যেটাকে বলি রাষ্ট্রবাদী। জাতীয়তাবাদী নয়, রাষ্ট্রবাদী। কিন্তু, বাঙালিদের সম্পর্কে এই ধারণাটা জিন্নাহর মাথায় কোথা থেকে এলো? এই ধারণাটা উত্তর প্রদেশের আলিগড় আন্দোলনের ধারণা। আলিগড় আন্দোলনের সময় এই বঙ্গের যেসব মানুষ শিক্ষিত হয়েছিল, তারা তো বঙ্গে চাকরি করত না। বঙ্গে যথেষ্ট চাকরি ছিল না। অর্থনৈতিকভাবে বাংলা তখন দুর্বল। তাই তারা মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ ইত্যাদি স্থানে চলে যেত চাকরি খুঁজতে। ওখানে তারা তো নিজেদের বাঙালি হিসেবেই পরিচয় দিত। কিন্তু এই বাঙালি যারা চাকরি করতে যেত, আরও অনেকের মতো জিন্নাহও তাদের অপছন্দ করত। গবেষক অনিল শীল [অহরষ ঝবধষ] দেখিয়েছিলেন যে, তখন কীভাবে সৈয়দ আহমেদ খান এবং হিন্দু নেতাবর্গ মিলে বাঙালিবিরোধী 'আপার ইন্ডিয়ান ল্যান্ড ওনার অ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সংগঠন করছে। অর্থাৎ, এই পাকিস্তান আন্দোলনের মধ্যে বাঙালিবিরোধী আন্দোলন জন্মগত সূত্রেই জড়িত। তাহলে কীভাবে এই আন্দোলনের সঙ্গে বাঙালিদের একত্রিত হওয়া সম্ভব? বস্তুত এক হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না।
এই হলো ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ। মূলত জিন্নাহর ঐতিহ্য, জিন্নাহর সূত্র প্রতিটাই হচ্ছে বাঙালিবিরোধী।
তারপর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন চলছে, ১৯৫২ সালে সেটি চরম রূপ ধারণ করে। এর আগে ১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানে এসে জিন্নাহ বলছেন, ভারতীয় প্রেস নানা রকম চক্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তোমাদের দিয়ে ভাষা আন্দোলন করাবার চেষ্টা করছে ইত্যাদি। জিন্নাহ তার বক্তৃতায় ভাষা সম্পর্কে বলছেন- 'For official use in this province, the people of the province can choose any language they wish. This question will be decided solely in accordance with the wishes of the people of this province alone, as freely expressed through their accredited representatives at the appropriate time and after full and dispassionate consideration. There can, however, be only one lingua franca, that is, the language for intercommunication between the various provinces of the State, and that language, should be Urdu and cannot be any other. The State language therefore, must obviously be Urdu, a language that has been nurtured by a hundred million Muslims of this sub-continent, a language understood throughout the length and breadth of Pakistan and above all a language which, more than any other provincial language, embodies the best that is in Islamic culture and Muslim tradition and is nearest to the language used in other Islamic countries.

এখানে দেখা যাচ্ছে ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে জিন্নাহ বলেছেন, এখানে হিন্দু-মুসলমানের কোনো বিষয় থাকবে না, আমাদের দেশ হবে রাষ্ট্রবাদী, এখানে কেউ আলাদা নয়- কিন্তু পরের বছরই ঢাকায় এসে তিনি বলছেন, উর্দুকেই রাষ্ট্রভাষা করতে হবে; কারণ এটা মুসলমানদের ভাষা।

অতএব, অনেকে যে বলেন- জিন্নাহ একজন মহান নেতা ছিলেন, আধুনিক মানুষ ছিলেন, হিন্দু-মুসলমান বোধ তার ছিল না ইত্যাদি। আমরা যদি এসব কথা স্বীকারও করে নিই, তবু রাজনীতির ক্ষেত্রে সুযোগ নেওয়ার বা ব্যবহার করার ব্যাপারটি এলো তখন জিন্নাহ তো ঠিকই সেই সুযোগটা নিলেন। এবং তার প্রমাণ হচ্ছে- তার এই দুইটা বক্তৃতা। সাতচল্লিশের ১১ আগস্ট যা বললেন, আটচল্লিশের ২৪ মার্চের বক্তৃতায় বললেন তার উল্টোটা। এটা মুসলমানদের রাষ্ট্র- আর মুসলমানদের ভাষা উর্দু, তাই উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। ভাষার প্রশ্নে এই মুহূর্তে যাচ্ছি না। কিন্তু জিন্নাহর শঠতা কি অস্বীকার করা যায়? হঠাৎ করেই রাষ্ট্রবাদী মানুষটা হয়ে গেলেন ধার্মিক মুসলমান। ভারতকে ঠেকানোর জন্য সে পূর্ব বাংলার মানুষদের বলছেন মুসলমানদের সংস্কৃতি, মুসলমানদের ভাষা ধারণ করতে।
জিন্নাহ বস্তুতপক্ষে একটা সুযোগ সন্ধানী রাজনীতিই করে যাচ্ছিলেন। ১৯৪০ থেকে '৪৬ এবং তার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করলে এটা স্পষ্ট হয়। জিন্নাহ পাকিস্তানের জাতির পিতা- কিন্তু প্রয়োজনে তিনি ধর্মকে ব্যবহার করেছেন। মূলত ক্ষমতার জন্য যখন যেখানেই যা কিছু ব্যবহার করতে হয়েছে, সেখানে তা ব্যবহার করে এসেছেন- কিন্তু সেই রাজনীতিতে সে টিকতে পারেনি। ১৯৪৭ সাল থেকে '৫০ সাল পর্যন্ত যে অংশটা ক্ষমতায় ছিল, সেটা হচ্ছে মোহাজির গোষ্ঠী। যারা লিয়াকত আলী খানের গোষ্ঠী। যারা উর্দুতে কথা বলে, যারা মুসলমান এবং বাঙালিকে হিন্দু মনে করে। কলকাতা থেকে উত্তর প্রদেশে আসা চাকরি সন্ধানী প্রবাসী বাঙালিদের সাথে পারেনি বলেই যারা পাকিস্তান আন্দোলন করেছিল। তারাই ছিল ক্ষমতায়। ১৯৫০ সালে লিয়াকত আলি খানকে হত্যার পর তারা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে যায়। তারপর ক্ষমতায় আসে পাঞ্জাবিরা। ধীরে ধীরে তারা পাকিস্তানের ব্যবসা-বাণিজ্য, সেনাবাহিনী দখল করে নেয়।
১৯৪৭-৪৮ সময়কালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ যেভাবে পাকিস্তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছেন, তা ছিল অত্যন্ত সংকীর্ণ কৌশল। মনে হয় না এমন মানুষের মধ্যে আধুনিক রাষ্ট্রভাবনা বলতে কিছু ছিল। থাকলে এ ধরনের কথা বলতেন না। অতএব, জিন্নাহর সঙ্গে বাঙালির, জিন্নাহর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সম্পর্কটা বৈরীই ছিল। জিন্নাহ বলতেন, তোমরা যদি বাড়াবাড়ি করো, আমরা তোমাদের শায়েস্তা করব। ১৯৪৮ সালে জিন্নাহ 'তোমাদেরকে শায়েস্ত করে দেব' বলে যে ধমকটা দিয়েছিলেন- পরবর্তী সময়ে ইয়াহিয়া খানও সেই একই কথা ভিন্ন ভাষায় বলেছিলেন ১৯৭১ সালে। সে কথা আইয়ুব খানও বলেছিলেন যে, আমরা অস্ত্রের ভাষায় কথা বলব।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠিত হবার সময় শেখ মুজিবুর রহমান যে কথাটা বলেছিলেন- 'পূর্ব পাকিস্তান একটা কলোনি হবে।' বস্তুতপক্ষে পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সাথে পশ্চিম পাকিস্তানের সম্পর্কটা কলোনিরই ছিল। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সঙ্গেও আমাদের সম্পর্ক তেমনই। একটি দখল করা রাষ্ট্রের মালিকের সাথে দখলকৃত মানুষের যেমন সম্পর্ক। কিন্তু এই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহটা পাকিস্তানের জন্মের সাথে সাথেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সেই বিদ্রোহে পাকিস্তান টিকতে পারেনি। জিন্নাহ যে রাষ্ট্র তৈরি করেছিলেন, তা টিকে ছিল মাত্র ২৪ বছর। যার মৃত্যু হয় ১৯৭১ সালে।
[এই প্রসঙ্গ সমাপ্ত]

বিষয় : বাংলাদেশের একাত্তর

মন্তব্য করুন