ঘরগুলো ভিড় করে আছে বাওয়ালি পাড়ায়- খাঁড়ির ওই পারে জেলেদের বাস- সুপারিগাছের সাঁকো দিয়ে দুই পাড়ার সম্পর্ক বুনে রাখা আছে-
কেয়াফুল ফুটে গেলে বাড়িগুলো শূন্য হয়ে যায়- তখন নদীর ঘাটে গান গেয়ে ওঠে বিরহের পাখি- হূৎপিণ্ড ছিঁড়ে নিয়ে সমুদ্রগামী নায়ে চড়ে বসে প্রাণের পুরুষ- বিদায় জানাতে গিয়ে মঙ্গলবতী রমণীর চোখ টলটল করে ওঠে-
ওই গাঁয়ে সুধাকর থাকে- সমুদ্রযাত্রার দিন তার কাছে যাই- তুলে দিয়ে আসি আলকাতরা মাখা কুঁচকুঁচে কালো নায়ে- আর দিই এক সের মধু, ভুরভুরে গন্ধ ছড়ানো একটা কেয়ার ফুল- কিছুটা সাহস-
তারপর, হাত নেড়ে নেড়ে বিদায় জানাতে থাকি- যতক্ষণ ভোরের রোদ্দুর মাখা সেই নাও চোখে দেখা যায়-
সুধাকর, আমার বন্ধু সে- তিন মাস পর গাঁয়ে ফিরে এলে তার চোখে আমি সমুদ্র দেখতে আসি

মন্তব্য করুন