নাভিতে ঘুরছে প্রেমের ঘূর্ণি, প্রিয়তমেষুর প্রতি।
তলপেট থেকে ঠোঁটে উড়ে বসে, দিবাচর প্রজাপতি।
বুকের হুকের ভেঙে গেছে আজ- স্তন ও মনের তালা,
তুমি বাজো কানে কিশোর কুমার, আমি রানী, মধুবালা।
তছনছ করো পাতা, শাড়ি, ঘাস, বৈশাখী ঝোড়ো হাওয়া,
সাগর জাগানো তুফানের মতো যুগলবন্দি গাওয়া।
জেগে উঠি আমি, কেঁপে উঠি আমি, জলের ভিতরে জলে,
ঢেউয়ে-গর্জনে ভেঙেচুরে আসো, তামাম সেই অঞ্চলে।
দশ নম্বর বিপদের খুঁটি বন্দরে রাখি পুঁতে,
তুমি আসো সেই ঝড়ে সিন্দবাদ, মানা সৈকতে শুতে।
তোমাকে থামানো মুশকিল বড়, যেখানে কেউই নেই,
নয়টি দরজা বন্ধ পেলেও- অন্দরে ঢুকবেই।
লাইট হাউসের বাতি ভেঙে দিয়ে- বন্দরে ঢুকে পড়ো,
নৃপতির মতো- ডাকাতের মতো- তবু আমি তারপরও,
প্রেমে পড়ে যাই, ভেঙে পড়ে যাই, ভালোবাসি এই ক্ষতি,
তুমি না আসলে ঘুমাতে চায় না, পদ্মের প্রজাপতি।

বিষয় : পদাবলি

মন্তব্য করুন