কোনো এক পড়ন্ত বিকেল। প্রায় আটাশ বছর আগের। সারাদিনের তীব্র গরমে হাঁসফাঁস শেষে সন্ধ্যা নামার আগে বারান্দায় আয়েশ করে বসে পত্রিকা পড়ছি। মূলত সাহিত্য পাতার কনটেন্টেই চোখ বুলাচ্ছি।
হঠাৎ একটি কবিতায় এসে থমকে গেলাম। একবার, দুইবার, পাঁচবার কবিতাটি পড়লাম। কবিতার নাম 'যে আছে জীবন জুড়ে'। কবির নাম আবুল হোসেন। ভালো লাগার প্রচণ্ড এক ঘোরে ডুবে যেতে যেতে সেদিন কী ভেবেছিলাম মনে নেই, তবে কবিতাটির রেশ বহুদিন আমার বুকে চাঁদোয়ার মতো জড়িয়ে ছিল। বলা যায়, এখনও আছে।
কবি আবুল হোসেনের স্ত্রী সাহানা হোসেন ১৯৯৪ সালের ৮ মে মারা যান। স্ত্রী বিয়োগের পর ব্যথিত হৃদয়ে কবিতাটি লেখেন তিনি। এটি দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য পাতায় প্রকাশিত হয়।
কবিতার মাঝামাঝি অংশটি এ রকম-
'... যে ছিল জীবন জুড়ে অভিন্ন ছায়ার
মতো, এক নিষ্ঠুর নিমেষ এসে কেড়ে নিয়ে যাবে
তাকে বিস্মৃতির অনন্ত আঁধারে? পাবে সে কী? শুধু
কিছু রক্ত মাংস পেশি হাড়, বাকিটা আমার, তার
নাম ভালোবাসা। কার সাধ্যি ছিনিয়ে তা নেয়? যাকে
নিয়েছে নিয়তি, সে আছে আমাকে ছুঁয়ে সারাক্ষণ
অলক্ষ্যে। হাওয়ায় তার নিঃশ্বাসের গন্ধ পাই, বাজে
তার উচ্ছল হাসির শব্দ ব্যাকুল বুকের তারে ... '
আমার দুঃখবাদী মনে কবিতাটি রেখাপাত করল গভীরভাবে। এ কবিতার আগে কবি আবুল হোসেনের অন্য কোনো কবিতার সঙ্গে আমার নিবিড় পাঠ তেমন একটা ছিল না। কেবল 'ঘুড়ি' ছাড়া। এটি হয়তো পাঠ্য ছিল বলেই বেশি পড়া হয়েছে। ঘুড়ি কবিতা দিয়ে কবির নামের সঙ্গে পরিচিত হলেও আমার একান্ত অন্তর্গত জগতে কবি ঢুকে গেলেন 'যে আছে জীবন জুড়ে' কবিতাটি দিয়ে। তারপর থেকেই কবিকে মনে মনে খুঁজছি। জেনেছি, তিনি বেঁচে আছেন। ধানমন্ডিতে থাকেন।
তাই ১৯৯৬ সালের কোনো এক ঘর্মাক্ত দিনে ধানমন্ডিতে কবির বাসায় হানা দেই। কবির বাড়ির খুব কাছে গিয়েছিলাম অন্য একটা কাজে। আগেই জেনেছি, কবির বাস নিকটেই। তাই সময় হাতে নিয়ে বেরিয়েছিলাম। প্রথম সাক্ষাতের দিনেই কবিতাটির কথা জানাই। যথারীতি আমার মুগ্ধতার কথাও বলি।
কবিতাটির প্রসঙ্গকথা বলতে গিয়ে তিনি কেমন বিষণ্ণ হয়ে গেলেন! স্ত্রী সাহানার কথা বললেন। বড় নাতির নাম তাই সাহান রেখেছেন, সে কথাও জানালেন। তাঁর আপন করে কাছে টেনে নেওয়ার আন্তরিকতায় আমি যারপরনাই মুগ্ধ হলাম। এর পর দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে আমি কবির সাহানা নামের বাড়িতে গিয়েছি। কতবার গিয়েছি তার হিসেব নেই। আজ এত বছর পর নিজেই নিজের কাছে প্রশ্ন রাখি- কেন যেতাম? কীসের টানে যেতাম?
যখনই, যতবার গিয়েছি তিনি সহাস্যে স্মিত ভঙ্গিতে আমাকে স্বাগত জানাতেন, কথায় লিপ্ত হতেন। এমনকি কবিতার যুক্তিতর্কে আমার উপস্থাপিত মন্তব্যকে তিনি আগ্রহ ও গুরুত্বের সঙ্গেই শুনতেন।
আমি যেতাম মূলত নিজেকে ঋদ্ধ করতে। যাঁরা তাঁকে চিনতেন, জানতেন, তাঁরা বুঝবেন এর মর্মার্থ। কবি আবুল হোসেনের কবিতার সঙ্গে যাঁদের সখ্য, তাঁরা জানেন ব্যক্তি হিসেবেও তিনি কতটা পরিশীলিত, মার্জিত, আধুনিক, সংবেদনশীল, মানবিক, বোদ্ধা, বিচক্ষণ, সৎ ও প্রাগ্রসর ব্যক্তিত্বের ছিলেন। তাঁর প্রাগ্রসরতা কেবল চিন্তা ও মননে সীমাবদ্ধ ছিল না। ব্যক্তিক আচরণেও তিনি ছিলেন সৌহার্দ্যময় নিবিড় মনের মানুষ। তিনি ছিলেন প্রখর যুক্তিবাদী। যে কোনো বিষয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা ছিল চূূড়াস্পর্শী। বলতে গেলে ঈর্ষণীয় পর্যায়ের।
তাঁকে ঘিরে তাঁর সাহানা নামের বাড়িতে বহু বছর ধরেই সান্ধ্য আড্ডা জমত। কবি শামসুর রাহমান থেকে শুরু করে রশীদ করীম, আবদুল মান্নান সৈয়দ, সৈয়দ শামসুল হক, আবু রুশদসহ আরও অনেকে সেসব আড্ডায় অংশ নিতেন। এসব রথী-মহারথী কি কেবল কবিতার টানেই যেতেন সেখানে? মনে হয় না। মানুষ হিসেবে কবির অনন্য অবস্থানও সবাইকে কছে টানার মূল মন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে বলে আমি মনে করি। ব্যক্তিক আবুল হোসেনের মধ্যে অনেক গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। এ ধরনের সমাবেশ সব সময়ই ঘটে না, কালেভদ্রে ঘটে।
মাত্র আঠারো বছর বয়সে আবুল হোসেনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নব-বসন্ত প্রকাশিত হয়। আর কবির কাব্যযাত্রা শুরু সেই অবিভক্ত ভারতবর্ষে। পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গনে তার পথ হাঁটা ছিল অবিরাম, মৃত্যু পর্যন্ত।
তিনি রবীন্দ্রনাথের সাক্ষাৎ পেয়েছেন। নজরুলকে কাছে থেকে দেখেছেন। আমাদের কাছে মিথ হয়ে ওঠা তিরিশের পঞ্চপাণ্ডবের সান্নিধ্য লাভ করেছেন। বলতে গেলে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ- এই তিন ভৌগোলিক বাস্তবতার প্রত্যক্ষদর্শী কবি আবুল হোসেনের জীবনাভিজ্ঞতার ঝুলি ছিল ভীষণরকম ভারী। সেসব অভিজ্ঞতার প্রমাণমুখ যখন তিনি খুলে দিতেন, তখন তা সাহিত্যপ্রেমী সকলের জন্যই ছিল আগ্রহের এবং কৌতূহলেরও।
অগ্রজের প্রতি ঋণ স্বীকার করে তাইতো সৈয়দ শামসুল হক বলেন, 'কবি আবুল হোসেন ছিলেন আমাদের সেই উষাকারে এমন মানুষ, যিনি আমাদের বিচলিত করতে পারতেন। আর এমন বিচলন যিনি সৃষ্টি করতে পারেন, তিনিই হচ্ছেন প্রকৃত অগ্রজ- শুধু সাহিত্যে নয়, জীবনের সকল ক্ষেত্রে। আজ আমরা যে যার পথে চলেছি, সিদ্ধি বা ব্যর্থতা আমাদের যা-ই আছে, আমরা যে সকলে সবল পায়ে এখনও একটি সড়কে আছি এবং শুধু থাকাই নয়, শ্রান্তিহীন হেঁটেও যে চলেছি, এই প্রাণ ও শক্তির ভেতরে কবি আবুল হোসেনের কাছ থেকে পাওয়া দৃষ্টিবোধটি অবশ্যই আছে।'
আবুল হোসেন চল্লিশের দশকের কবি। আধুনিক কবি হিসেবেই তিনি সংজ্ঞায়িত। কবি আধুনিক ছিলেন সত্যি। কিন্তু তা কি কেবল কবিতাতেই?
না তাঁর আধুনিকতা কেবল কবিতা আর ভাষাভঙ্গিতে নয়; জীবনাচরণেও তিনি ছিলেন এগিয়ে চলাদের অন্যতম। এ দেশের বর্তমান সমাজ বাস্তবতার দিকে চোখ ফেরালে সত্যি তাঁকে এখন আমার ভিনগ্রহের মানুষ বলে ভ্রম হয়। এত বেশি পরিশীলিত, নির্লোভ, সৎমানুষ পাওয়া খুবই কষ্টকর আজ।
এমনকি আবুল হোসেনের আধুনিকতার মাত্রা এবং নাগরিক বোধের প্রখরতা তাঁর চলমান সময়ের অন্য অনেকের চেয়ে অনেক বেশি অতলস্পর্শী ছিল। তাই জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী বলতে বাধ্য হন, 'আবুল হোসেন আমাদের একমাত্র নির্ভেজাল নাগরিক কবি।' আমি বলব মানুষও বটে। কথাটিতে কিছুটা অতিশয়োক্তি থাকলেও এ কথা বললাম এ কারণে, সাহিত্যযাত্রায় আমার সিকি শতাব্দীরও বেশি সময়ের পথচলায় আমি তাঁর মতো মোটামুটি সম্পন্ন মানুষ খুব কমই পেয়েছি। বলতে গেলে চারদিকে ঊণ এবং কবি আবু হাসান শাহরিয়ারের ভাষায় 'বামন' মানুষের ছড়াছড়ি। এ পরিপ্রেক্ষিতে কবি আবুল হোসেন ছিলেন উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। যিনি শ্রদ্ধেয়জন হিসেবে অভিভাবকত্বের এবং ভরসাময় স্নেহের হাত বাড়িয়ে ধরতেন অনুজের প্রতি। সে অনুজের সাথে তাঁর বয়সের ব্যবধান যত দুস্তরই হোক, তিনি স্নেহদানে কখনও কার্পণ্য করেননি। অন্তত আমার অভিজ্ঞতায় এর ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি।
শহীদ পিতার সন্তান আবুল হোসেন আপাদমস্তক কবি হয়েও কী পেশাগত, কী সাংসারিক কোনো দায়িত্বকেই অবহেলা করেননি। তিনি তাঁর চার সন্তানকে প্রবলভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। যদিও এ জন্য তিনি স্ত্রী সাহানাকেই সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দিতেন। কিন্তু একজন পিতা হিসেবে তিনি কেবল অর্থের জোগানদাতাই ছিলেন না, ছিলেন কবিপিতা হিসেবে সংসারচিত্রের অনন্য চিত্রকরও। কবিতায় কবিতায় তিনি বলতে গেলে তাঁর পুরো সংসারের সকল আপনজনকেই তুলে এনেছেন। স্বভাবগত হালকা তুলির আঁচড়ে তিনি ছেলে, মেয়ে ও জীবনসঙ্গিনীকে নানা কবিতায় নানাভাবে উপস্থাপন করেছেন। এটা এককথায় ব্যতিক্রম। মূলত সংসার ও ভালোবাসাকে মূল্য দেওয়া এ কবি আর দশজনের মতো স্রোতের টানে গা ভাসিয়ে চলতেন না। তিনি যা করতেন তা একান্ত নিজের মতো, একেবারে নিজস্ব ভঙ্গিতেই করতেন। ফলে কবিতা ও জীবন বাস্তবতায় তিনি যে ব্যতিক্রমী ক্যানভাস তৈরি করেছেন, যা বলতে গেলে বহুজনেরই আরাধ্য।
কবির কেবল সংসার ভাবনাই নয়, দেশ-কাল-সমাজ ভাবনাও ছিল তীব্র ও তীক্ষষ্ট। রাজনীতি, সমাজ, সময় ও সংসারের অনেক অসংগতি কবিকে পীড়িত করত। তিনি অন্য অনেকের মতো কণ্ঠ সরব করতেন না। আশ্রয় নিতেন কুশলতার, কখনও কখনও রূপকের। এ ছাড়া বাস্তব আর আদর্শের দ্বন্দ্বগত অবস্থান থেকে তিনি প্রচুর ব্যঙ্গ কবিতা লিখেছেন। যা এক সময়ে 'আবুল হোসেনের ব্যঙ্গ কবিতা' নামে প্রকাশিত হয়। ব্যঙ্গ কবিতার জন্য প্রয়োজন হয় প্রখর যুক্তিবোধ এবং অতল পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। এ দুটিই আবুল হোসেনের মধ্যে গভীরভাবে ক্রিয়াশীল ছিল।
কবিতায় আবুল হোসেনের যে চরম নৈর্ব্যক্তিকতা, অনাড়ম্বরতা এবং সহজ সরলতার প্রকাশ দেখা যায়, জীবনযাপনেও এর ব্যতিক্রম আমার চোখে পড়েনি। যতদিন আমি তাঁকে দেখেছি কোনো বেলায় কোনো কিছুতেই তিনি শৃঙ্খলা থেকে বিচ্যুত হননি। কী প্রাত্যহিকতায়, কী পঠন-পাঠনে, তিনি ছিলেন নিপুণ এবং শৃঙ্খলামুখী। বাকসংযম কেবল কবিতাতেই নয়, চলন-বলনের সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন স্বল্পকথার কারিগর। কবিতার মতো জীবন ও ভালোবাসার প্রতি তাঁর আসক্তি ছিল চরমে। কিন্তু প্রকাশভঙ্গিতে নিরাভরণ ও নিরাসক্ত ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে পারতেন বিপুল দক্ষতায়। গভীর জীবনবোধকেও তিনি হালকা চালে আবেগের ক্যানভাসে এমনভাবে ছড়াতেন; যা সীমা অতিক্রম করত না কোনোভাবেই। 'রুঠা ভাষার কবি' হিসেবে সংজ্ঞায়িত হলেও তলিয়ে দেখলে বোঝা যায় আবেগ আসক্তি তাঁর কোনো অংশেই কম নয়। কিন্তু এত মার্জিত, এত পরিশীলিত সে আবেগের প্রকাশ তা নির্ণয়ে গভীর মনোনিবেশ দরকার হয়ে পড়ে।
কবি আবুল হোসেন তাঁর কবিতার মতোই বহুতলহীন ও কূটাভাসমুক্ত। সংযত আবেগ, তীব্র মাত্রাজ্ঞান, চিন্তার স্বতঃস্ম্ফূর্ততা, মতামত প্রকাশে দৃঢ়তা, সর্বোপরি সূক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গিগত উপলব্ধি তাঁর স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য। কবিতায় খুব বেশি গূঢ়ার্থ তৈরিতে তিনি সচেষ্ট ছিলেন না। যা বলেছেন, সহজ-সরল ও একমাত্রিক ভঙ্গিতেই বলেছেন। ঠিক যেমন তিনি। উন্মুক্ত, উদার, জটিলতাহীন। এককথায় নির্ভেজাল।
তিনি সকল কেন্দ্রে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেও চারপাশে একধরনের নিরাসক্ত আড়াল তৈরিতে সক্ষম হতেন। সুধীন্দ্রনাথীয় বর্ণনায় যাকে বলা হয়েছে 'নরাত্ম আমি'।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ যখন বলেন, 'কবিকে পাবে না খুঁজে তাহার জীবন চরিতে'। তখন এ কথায় কিছুটা দ্বিমত ব্যক্ত করেই বলতে পারি, আবুল হোসেন যেন এর উল্টোটাই করে গেছেন। কবিতা আর জীবনকে এক করে এমন এক সাত্ত্বিক বলয় তৈরি করেছেন, যেখানে নিজের আয়নায় যেমন নিজের মুখ দেখেছেন তেমনি দেখিয়েছেন সমাজ ও সময়ের মুখ। সে দেখানোতে কোনো কোলাহল ছিল না, ছিল না চেঁচামেচি। ছিল কেবল গলা নামিয়ে কিছু প্রাণের কথা বলা।
এখনও সময় আছে কাব্যগ্রন্থের 'আমার কথা' নামক কবিতায় কবি বলছেন-
'চেঁচিয়ে হাট বসায় যারা/ বসাক তারা তাদের মতো,/ আমার শুধু নামিয়ে গলা/ প্রাণের দুটো কথা বলা।'
বিখ্যাত কবি রাইনের মারিয়ে রিলকের উচ্চারণ- 'নিঃশব্দের চেয়ে শক্তিশালী আর কিছু নেই। আমরা প্রত্যেকে জন্মসূত্রে শব্দ-জগতের বাসিন্দা। উপায় থাকলে আমরা কখনোই নীরবতা ভঙ্গ করতাম না।' আবুল হোসেনও দীর্ঘ কাব্যজীবনে নীরবে নিঃশব্দে কাজ করে গেছেন। 'জানি না কী থাকবে, কী থাকবে না।/ করেছি নিজের কাজ/ নিভৃতে, নিঃশব্দে।/ একান্ত আপন মনে।'
এই একান্ত আপন মনে কাজ করা কবি আমাদের মাঝ থেকে দেহগতভাবে বিলীন হয়েছেন ২০১৪ সালের ২৯ জুন।
তিনি জন্মেছিলেন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট। তাঁর জন্মের শতবছর পূর্ণ হচ্ছে এ বছর।
জন্মশতবর্ষে কবির প্রতি রইল অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
আমাদের চলার আনন্দে, ভাবনার সারথি হয়ে তিনি আছেন এবং অনাগত দিনেও থাকবেন।